

সিটিনিউজ ডেস্কঃ-খুনী আর গডফাদারদের শক্তির কাছে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের মেরুদন্ড আজ চূর্নবিচূর্ন হয়ে গেছে। আলোচিত তিন ছাত্রলীগ নেতার খুনে জড়িত মূল খুনিরা পুলিশের সাথে আঁতাত করেছে অভিযোগ করে ছাত্রলীগ নেতারা এসময় বলেন,খুনিরা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতা কর্মীদের।ভাই হত্যার বিচারে আন্দোলনরত ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থকদের এ হুমকি দেয়ার স্পর্ধা আজ খুনিরা পেয়েছে শুধুমাত্র পুলিশের নতজানুতার কারণে।আমরাও স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই,দিন,মাস,বছর ফুরিয়ে গেলেও খুনিদের রেহাই হবেনা।আগামীতে যে কোন অনাকাঙ্কিত ঘটনার জন্য মাফিয়া কেন্দ্রিক রাজনীতির গডফাদারদের সাথে সখ্যতা রেখে চলা নগর পুলিশকে বহন করতে হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেন সমাবেশ থেকে।আজ বুধবার ১ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরী,নাছিম আহমেদ সোহেল,সুদীপ্ত বিশ্বাস হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ মাসব্যাপি কর্মসূচির আলোকে নগরীর নিউ মার্কেট মোড় হতে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আন্দরকিল্লা আবদুল খালেক চত্বরে এসে শেষ হয়।নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন,স্বাধীন বাংলাদেশে পাক হানাদার বাহিনী প্রথম বুলেটবিদ্ধ বাঙালি হলো বাংলাদেশের গর্বিত পুলিশ।পাক হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধের প্রথম পাল্টা বুলেটটি ছুড়েছিল এদেশের গর্বিত পুলিশ বাহিনী।গর্বিত এ বাহিনীর জন্য শেখ হাসিনা সরকার রেকর্ড পরিমাণ সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্ত করেছেন।দেশের আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা আমাদের গর্বিত করলেও চট্টগ্রামের সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশ বাহিনী ব্যর্থতার ষোল আনা পূর্ণ করেছে।সন্ত্রাসীদের হাতে মৃত্যুবরণ করছে এ নগরের সাধারণ নাগরিক।কিন্তু পুলিশ হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পারছে না।উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩জন দায়িত্বশীল নেতাকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। কিন্তু খুনীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অপারগ।এসময় বক্তারা আরো বলেন,আমরা বারবার পুলিশকে অনুরোধ করেছি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আমলে না নিয়ে সুষ্ঠ তদন্ত করুন।সন্ত্রাসীদের কোন রাজনৈতিক দল থাকতে পারেনা।শেখ হাসিনার সরকার সুশাসনে বিশ্বাসী।কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে চট্টগ্রামের পুলিশ জনগনকে সেই সুশাসনের চাদরে আনতে পারেনি।সরকারী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারন মানুষ।পরিতাপের বিষয় হলেও সত্য যে,চট্টগ্রামের রাজনীতিতে মাফিয়া কেন্দ্রিক যে সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় এলাকায় কিলিং স্কোয়ার্ড গঠন করেছে তাতে মুখ থুবরে পড়েছে নগরীর আইনশৃঙ্খলা।এ সময় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল আনসারী,মহানগর যুবলীগ নেতা ফয়েজ নেওয়াজ মাহমুদ,শাহনেওয়াজ রাজু,দিয়াজ ইরফানের বড় বোন এড.জোবাইদা সরোয়ার,দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো,ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মো.একরাম মিয়া,মাদারবাড়ি যুবলীগ নেতা আবদুল জাহেদ মনি,সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হাবিবুর রহমান তারেক,রাজিব হাসান রাজন,আবু সাঈদ সুমন,আশিকুন্নবী চৌধুরী,পাভেল ইসলাম,বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ইরফান আলম জিপু,আবদুর রহিম শামীম,ইয়াছির আরাফাত কচি,রাহুল বড়ুয়া,রাজেশ বড়ুয়া,ফরহাদ আনোয়ার তপু,চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তালেব আলী,জয়নাল উদ্দিন জাহেদ,একরামুল হক রাসেল,নাজমুল হাসান রুমি,সৌমেন বড়ুয়া,আ ফ ম সাইফুদ্দিন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর,সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম,শওকত আলী রনি,সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হাসানুল আলম সবুজ,মোহাম্মদ বিন ফয়সাল,আবুল মনছুর টিটু,মীর মোহাম্মদ জুলফিকার,আহসান কবির ববি,আবদুর রহমান কিরণ,সাইফুদ্দিন সৌরভ,শেখর দাশ,রাহুল দাশ, মনিরুল হক মুন্না,সদস্য ইমরান হাসান শাওন,মহানগর ছাত্রলীগ নেতা বিকাশ দাশ সহ কোতোয়ালী থানার আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ড,বিভিন্ন কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।(((সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)))