

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট,২০১৭ জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সম্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইসচেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তরুণ কান্তি ঘোষ এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রমা রানী রায়,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব এ বি এম নাছিরুল আলম।আলোচনা সভা শুরুর আগে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রধান কার্যালয়ে সম্মুখে অবস্থিত জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে বোর্ড চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।এসময় প্রতিকৃতির দুই পাশে দাঁড়িয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান,ভাইসচেয়ারম্যান ও বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন।পরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা (এনডিসি) বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আজ থেকে ঠিক ৪২ বছর আগে জাতির জীবনে এক অন্ধকার অধ্যায় রচিত হয়েছিল।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করে কলঙ্কের কালিমা লেপন করেছিলো সেসময়ের কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যরা।শোকে বিহবল জাতি হয়েছিলো বাকরুদ্ধ।এসময় তিনি আরও বলেন,বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা হলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে।আজকের এই দিনটিতে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল।আজও সেই অপশক্তি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিনত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।তাই এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।এসময় তিনি বিদেশে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের কৃতকর্মের সাজা বাস্তবায়ন করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।আলোচনা সভা শেষে ১৫ আগস্ট শাহাদাৎ বরণ করা সকল শহীদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।