

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ-দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ আঞ্চলের নারী ও শিশু অধিকার সংরক্ষণ,উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে আরো ব্যাপক ভুমিকা রাখতে হবে।নেপালের মানবাধিকার পরিস্থিতি নির্ভর উন্নত বিশ্বের চেয়েও ভাল।সার্ক ভুক্ত দেশসমূহের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোন বিকল্প নেই।অদ্য ২ আগষ্ট বুধবার বেলা ২ ঘটিকায় নেপালের জাতীয় সংসদ কক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর মানবিক সংস্থা সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দের সাথে এক আলোচনায় নেপালের জাতীয় সংসদের স্পীকার মিসেস উনসারি গাহারাতি মাগার এসব কথা বলেন।সার্ক মানাবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবেদ আলীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড.মুহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, নেপাল শাখার সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদিন আলি,মানবাধিকার নেতা আব্দুল মালেক।নেপালের স্পিকার আরো বলেন,সার্ক মানবাধিকারের মত একটি সংস্থা এ অঞ্চলে খুব প্রয়োজন ছিল।সংগঠনের প্রশংসা করে তিনি আরো বলেন,এই সংস্থা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবে।আগামী ডিসেম্বরে নেপালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনের আমন্ত্রণ গ্রহন করেন তিনি এবং বাংলাদেশে সংগঠনের সম্মেলনে অংশগ্রহনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আবেদ আলী বলেন,বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশসমূহের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নিরপেক্ষ কাজ করতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় যে ভাবে আন্তরিক ও মানবিক সে ভাবে সকল রাষ্ট্র প্রধানগণ আন্তরিক হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
বার্তা প্রেরক
মুহাম্মদ শাহজাহান অালী চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক,সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা।