

আইন মেনে সড়কে চলি-নিরাপদে ঘরে ফিরি এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে নানা আয়োজনে বান্দরবানে পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২২।শনিবার (২২ অক্টোবর) দিবসের শুরুতেই একটি বর্ণাঢ্য র্যালি জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।পরে জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ডা.মো.শেখ ছাদেক।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ বান্দরবান সার্কেল এর সহকারী পরিচালক মো.আনোয়ার হোসেন।আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন,সড়ক দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়।কোনভাবেই দুর্ঘটনা কাম্য নয়।আমাদের পরিবহন চালকদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।আমাদের নিজেদের জন্যই এই সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী।জেলা প্রশাসক আরও বলেন,গাড়ি চালানোর সময় চালকরা মোবাইলে কথা বলে কিন্তু এটার কারনে সড়ক দুর্ঘটনার হুমকি আরও বেড়ে যায়।কোনও অবস্থাতেই এটা করা যাবে না।জেলা প্রশাসক এসময় বিআরটিএ কে বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো তে গিয়ে সড়ক নির্দেশনার চিহ্ন গুলো শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করুণ যাতে সহজে শিক্ষার্থীরা সড়ক এর চিহ্নগুলো চিনতে পারে এবং এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.নাজিম উদ্দিন,সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.মোসলেহ্ উদ্দিন চৌধুরী,বান্দরবান প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু,ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো.আবসার উদ্দিন এসময় উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এর পদস্থ কর্মকর্তা,পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য,দেশে ষষ্ঠবারের মতো সরকারি উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে।উল্লেখ্য, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন এর জন্ম ২৯ বছর পূর্বে,১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর।চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এক সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনকে হারিয়ে এ আন্দোলন গড়ে তোলেন।২০১৭ সালের ৫ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।