

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ-বান্দরবানের লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর এলাকায় মোঃদিলদার (৪৮) ও তার সঙ্গীদের হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু সাথে পাঞ্জা লড়ছে মোঃশাহ আলম প্রকাশ শাহজাহান (৪০)।শাহ আলম বনপুর এলাকার মৃত নূর হোসেন মজুমদারের ছেলে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,মোঃ শাহ আলম ইউনিয়নের বনপুর এলাকায় নিজের পৈত্রিক ভিটায় জায়গা জমি চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে।তার জমির পার্শ্ববর্তী জায়গার মালিক লামা উপজেলা শহরের বিশিষ্ট ঠিকাদার প্রভাবশালী জনৈক করিমুল মোস্তফা স্বপন।ঠিকাদার স্বপনের জায়গা জমি দেখাশুনা ও পাহারা দেয় মোঃ দিলদার ও তার ভাইয়েরা।দিলদার ও তার ভাইরা সবাই রোহিঙ্গা।অল্প বেতনে ও যে কোন কাজ করানো যায় বলে রোহিঙ্গা লোকজনকে কাজে রাখতে অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেন।দুই পক্ষের জমির মাঝখানে চলাচল রাস্তা বন্ধ করে দেয় করিমুল মোস্তফা স্বপন এর পাহাদার দিলদার। এই নিয়ে কয়েকদিন আগে উভয়ের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়।সেই সূত্র ধরে লামা থানায় অভিযোগ করে প্রতিপক্ষ।পূর্বের জের ধরে গত শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতে দিলদার এর ভাই মোঃশফি (৪৫),মোস্তাক আহমদ (৪০),ছেলে মোঃ কামাল (১৯) ও ভাতিজা আব্দুল হামিদ (১৮) সকলে মিলে বেধড়ক মারধর করে শাহ আলমকে।মুমূর্ষ শাহ আলমকে চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববর্তী চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।শাহ আলমের ছোট ভাই মোঃ মানিক (ঈমাম) বলেন,আমার ভাই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বার্মাইয়া দিলদার ও তার বাহিনীর কারণে আমরা ভয়ে ভয়ে দিন কাটায়।এদিকে তার মালিক স্বপন কোটিপতি লোক হওয়ায় থানা পুলিশ তাদের পক্ষে কথা বলে।এবিষয়ে মোঃদিলদার এর সাথে কথা বলতে তার বাড়িতে গেলে তাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।বনপুর এলাকার ইউপি মেম্বার আপ্রæচিং মার্মা বলেন,দিলদার তারা রোহিঙ্গা এবং ঝগড়াটে।তারা কারো কথা মানেনা। শাহ আলমের পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান বলেন,করিমুল মোস্তফা স্বপন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করলে ঘটনা তদন্তে যাই।শাহ আলম আমাকে সরে যায়। দিলদার ও সঙ্গীয়রা শাহ আলমকে মারধর করলে আমি তাকে দ্রæত চিকিৎসা করাতে বলি।