

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবানে আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অনলাইন ভিত্তিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২২ এর পুরস্কার ও প্রশংসা পত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ উপলক্ষে “শেখ মুজিব স্বাধীনতার জনক” প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানে ৫১ শিশুর কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে শিশুরা।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বক্তব্য প্রদানকালে বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি এবং বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ৭৫ এর কালো রাতে শহীদ পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি।এসময় তিনি জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাস্তবায়িত নানা উন্নয়ন এর বিশদ চিত্র তুলে ধরেন। পাশাপাশি শিশুদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কারিগর হওয়ার জন্য প্রধান অতিথি শিশুদের জাতির পিতার আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করার জন্য আহবান জানান।জেলা পরিষদ সদস্য এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিউটের সাংস্কৃতিক বিষয়ক কনভেনিং কমিটির সদস্য সিংইয়ং ম্রো এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.কায়েসুর রহমান,অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষক দীলিপ কুমার বড়ুয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।চতুর্থ শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থী উ ম্যা খিং মার্মার উপস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মং নু চিং।অনুষ্ঠানের শুরুতেই মহান স্বাধীনতার ৫১ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৫১টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন অতিথিরা।এছাড়াও পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ পাঠসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান,শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব এবং ৭৫এর কালো রাতে ঘাতকের নির্মমতায় শহীদ ও ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অমর শহীদদের স্বরণে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি।