

ভাঙচুর ও বেআইনি সমাবেশের মামলায় জামিন পেয়েছেন বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও বান্দরবানের পৌরমেয়র মো.ইসলাম বেবী।মামলায় অভিযুক্ত অন্য ৩জনও একইদিন জামিন পেয়েছেন।বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক জামিন আদেশ দেন। এ্যাডভোকেট ইকবাল করিম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।শুনানি চলাকালে বান্দরবান পৌরসভার প্যানেল মেয়র সৌরভ দাশ শেখরসহ বান্দরবান জেলা আ.লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার বিষয়ে বাদী রেহানা বেগমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী মাহতুল হোসাইন যত্ন জানান,পৌর মেয়র ইসলাম বেবী আজ জামিন আবেদন করলে আমরা আদালতে জামিনের বিরোধিতা করি।তবুও আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে আসামির অসুস্থতা,বার্ধক্য ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকায় মাননীয় আদালত বিশেষ বিবেচনায় ১০০১ টাকা বন্ডে মামলার শুনানি পর্যন্ত অস্থায়ী জামিন মঞ্জুর করে।অন্য দিকে পৌর মেয়র এর একান্ত সচিব আশুতোষ কুমার দে আশু মামলাটিকে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা আখ্যায়িত করে বলেন,মাননীয় আদালতের রায়ে প্রমাণ হলো বান্দরবান পৌরসভা এবং পৌরমেয়র মহোদয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে সম্পুর্ন অসৎ উদ্দেশ্য এবং হয়রানি করতেই এই ধরনের একটি ভিত্তিহীন মামলায় আমাদের জড়ানো হয়েছে।উল্লেখ্য,বান্দরবান পৌরসভার মেয়র দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং ভারতের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ডাক্তারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।অবস্থার উন্নতি ঘটলে তিনি দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আসেন।কিন্তু দেশে ফেরার পর পুনরায় শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।জামিন শুনানির দিনও তিনি অসুস্থ অবস্থায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত,নারী নির্যাতন,ভাঙচুর,বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে গত ১৮জুন”২০২১ মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবীসহ সাতজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন রেহেনা আক্তার নামের এক নারী।পরে গত সোমবার (২৪ জানুয়ারি) জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত এই মামলায় ৪জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।