

এককভাবে সম্ভব না হলে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব নিয়ে এক মুঠো করে অসহায় মানুষদের দান করলে দশ মুঠো নিয়ে দুই-চার-দশ দিন করে সেবা করা সম্ভব।শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে বান্দরবান শহরে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য রোটারিয়ান কাজল কান্তি দাশের ব্যক্তিগত অর্থায়নে বান্দরবান পৌর এলাকায় ১৫ দিন ব্যাপী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা,মশক নিধন ও অক্সিজেন সেবা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এই মন্তব্য করেন।সমাজসেবক কাজল বাবুর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বান্দরবানে অজস্র সমিতি কমিটির অভাব নাই। কিন্তু কোন সংগঠনকে সমাজের মানবতার কাজে এগিয়ে আসতে দেখি না।’ এক্ষেত্রে তিনি বাজার সমিতি, পরিবহণ সমিতি ও হোটেল সমিতির কথা তুলে ধরেন।মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে কাজল বাবুকে দেখেছি নানানভাবে মানুষের সাহায্য-সহযোগিতা করা, মশা নিধন করা, করোনাকালীন দূর্যোগের সময় মানুষদের বিভিন্ন সেবা দেয়া। তার সীমাবদ্ধতার পরও যতটুকু তার কাছে সম্ভব জনসাধারণের মাঝে তা বিলিয়ে দিয়েছেন।প্রত্যেক লোকের সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু কাজল বাবু সীমিত সম্পদ দিয়ে দুর্যোগকালীন সময়ে জনসাধারণের প্রতি সেবা করার ইচ্ছে পোষণ করেছেন।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) শফিউল আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য রোটারিয়ান কাজল কান্তি দাশ, পৌর মেয়র ইসলাম বেবি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজা সরোয়ার, বান্দরবান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তা ও সেচ্ছাসেবক সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কতৃক প্রদত্ত ১টি রোড রোলার গাড়ি বান্দরবান পৌরসভাকে হস্থান্তর করা হয়।সীমিত সম্পদ দিয়ে স্বল্প সময়ে সমাজের মানবতার কাজে হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য মন্ত্রী মহোদয় সমাজসেবক কাজল বাবুকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বান্দরবান শহরকে রোগমুক্ত রাখার জন্য সম্মিলতিভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে আহবান করেন।অনুষ্ঠান শেষে সুই রেড ক্রস (এস আর সি) সহযোগিতায় লাইট ভিডিও ডিসপ্লে বোর্ড উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর। পরে পার্বত্য মন্ত্রীর নেতৃত্বের উপস্থিত সকলকে নিয়ে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের এসে শেষ হয়।