

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-আরো শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশ উপকূলে প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’।সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।একই সঙ্গে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম,কক্সবাজার, নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর,ফেনী,চাঁদপুর এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আর উপকূলীয় জেলা ভোলা,বরগুনা,পটুয়াখালী, বরিশাল,পিরোজপুর,ঝালকাঠি,বাগেরহাট,খুলনা,সাতক্ষীরা এবং এগুলোর দ্বীপ ও চর থাকবে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায়।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ারে কক্সবাজারে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।সোমবার বিকালে জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় পানি লোকালয়সহ বসতবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে।এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হচ্ছে।ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ উপকূলের দিকে সরে আসায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম,কক্সবাজার,নোয়াখালী,লক্ষীপুর,ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান,ঘূর্ণিঝড় মোরা প্রভাবে ভোর রাতে মাঝারি ও হালকা বৃষ্টি হলেও সোমবার সকাল থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।ফলে সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা ৪ থেকে ৫ ফুট বেড়ে গিয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকতার কামাল জানান,দুপুরে জোয়ারের সময় সাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে।ফলে শহরের সমিতি পাড়া,নাজিরারটেক,ফদনারডেইল ও কুতুবদিয়া পাড়ায় পানি ঢুকে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।তাছাড়া কুতুবদিয়া,চকরিয়া,মহেশখালী ও টেকনাফেও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আঘাতহানার আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে আসতে মাইকিং করছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির (সিপিসি) কর্মীরা।