

জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার বা ইউএনও এমন উচ্চপদস্থ উর্ধতন কর্মকর্তাদের কারো নির্দেশনাই মানছেনা আলীকদমের পাথর উত্তোলনকারী একটি সিন্ডিকেট।তোয়াক্কা করছেনা সরকারীভাবে কোন বিধিবিধান।উন্নয়নের নামে চলছে অরাজকতা আর লাইসেন্স বিহীন অবৈধ পাথর ব্যবসা।পাচার হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট পাথর।সরেজমিন দেখা যায়, চৈক্ষ্যং আবাসিক রাস্তা থেকে বাঘেরঝিরি যাওয়ার যে রাস্তাটি আছে সেই রাস্তার ধারেকাছে রয়েছে উন্নয়নের নামে উত্তোলিত বড়বড় পাথরের স্তুপ।অত্যন্ত বেপরোয়ার গতিতে চলছে পাথর উত্তোলনের মহোৎসব,এটা সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে আলীকদমে ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন ঝিরি ও বাঘেরঝিরিতে।এলাকাবাসীদের ভাষ্যমতে,পাড়ার প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি সময় ধরে স্রোতোবহা জীবন্ত এ ঝিরির পানির ওপর নির্ভরশীল এখানকার পাড়ারবাসী।খাবার পানি থেকে গোসল,রান্নাবান্না সবকিছু করা হয় এই ঝিড়ির পানি দিয়ে।কিন্তু বর্তমানে সেই ঝিরির উপর দিয়ে চলছে পাথরবাহী বড়বড় ট্রাকের চলাচল।প্রতিদিন ট্রাকভর্তি পাথর আনা নেওয়ার ফলে পাড়ার ঝিরির দু’পাশ ভেঙ্গে গিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে বহুবছরের পুরনো এই পাড়াটি।ভারী ট্রাকের চাকায় লণ্ডভণ্ড আর কাদায় পরিণত হচ্ছে ঝিরিতে।দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী ওই পাড়াবাসীর।দেখভাল করার যেন কেউ নেই তাদের।প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্টসহ এলাকার স্থায়ীভাবে বসবাসরত জনসাধারণের বসবাসে অনুপযোগী ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।বাধা দিয়েও মানছেনা পাথর উত্তোলনকারীরাদের।ফলে এলাকার জনসাধারণের পানি ব্যবহারের দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন।সুতরাং প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।