

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় বৌদ্ধধর্ম নিয়ে আপত্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তোলপাড় রাঙামাটিসহ পার্বত্য এলাকা।প্রতিবেদনটি নিয়ে বৌদ্ধসমাজসহ পাহাড়জুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।উঠেছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ব্যাপক প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হচ্ছে।প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তার প্রতিবাদে বুধবার রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পাহাড়ি নেতা ও বৌদ্ধ সমাজের প্রতিনিধিরা।উল্লেখ্য,২৪ এপ্রিল ‘পার্বত্য এলাকায় নতুন অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টায় ভাবনা কেন্দ্র’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে দৈনিক জনকণ্ঠ।এটি করেছেন ফিরোজ মান্না। এতে বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে নানা আপত্তিকর কাল্পনিক তথ্য পরিবেশনসহ সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করে তথাগত মহামতি গৌতম বুদ্ধকে কটাক্ষ করা হয়েছে-যা বৌদ্ধধর্মের প্রতি চরম অবমাননা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে উল্লেখ করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।এতে বলা হয়,জনকণ্ঠে প্রকাশিত এ ধরনের দায়িত্ব-জ্ঞানহীন প্রতিবেদন কেবল ঢালাওভাবে মনগড়া,ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত তথ্য পরিবেশন করা হয়নি,এ ধরনের মিথ্যা-বেসাতি সংবাদ প্রচারে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে প্রতিপক্ষ করিয়ে মুখোমুখি দাঁড় করানোর পাঁয়তারা চালানো হয়েছে।গোটা বৌদ্ধ সমাজকে সন্ত্রাসী বানানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে।দায় স্বীকার করে অবিলম্বে ভুল সংশোধনীর ব্যবস্থা নেয়া না হলে জনকণ্ঠের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।গতকাল বুধবার বিকালে শহরের রাজবাড়ির সাবারাং রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন,রাঙামাটি রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের সভাপতি গৌতম দেওয়ান।এ সময় বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা,জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, বিশিষ্ট ব্যক্তি সুকুমার দেওয়ান,বিশিষ্ট আইনজীবী সুস্মিতা চাকমাসহ অন্য পাহাড়ি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে গৌতম দেওয়ান বলেন,ওই সংবাদে গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে পার্বত্য এলাকায় যে মিয়ানমারের উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে,সেটা যদি হয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন।এ ধরনের কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা আমরা সমর্থন করি না।বৌদ্ধধর্মে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।