

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-৫ম শ্রেণী বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরবর্তীতে শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেনি এমন ১৫ বছর বা তদুর্দ্ধ ঝরে পড়া ছেলে মেয়েদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জন শক্তিতে গড়ে তুলতে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর রস্ক ফেইজ-২ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।যার মাধ্যমে ১ম পর্যায়ে দেশের ৯০টি উপজেলায় ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে ২৫ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে ৩মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল এর কারিগরি সহায়তায় এনজিও বিটা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।তারই অংশ হিসেবে আজ ২৪ এপ্রিল ২০১৭ইং লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক ইনডাকশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রস্ক ফেইজ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড.এম মিজানুর রহমান।এদিকে সরকারের এই বিশাল উদ্যোগকে জন সাধারণের সামনে তুলে ধরবে গণ-মাধ্যম।অথচ এমন একটি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লামা গণ মাধ্যমকে কোন প্রকার অবহিত করা হয়নি।কারণ তাতে যদি থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসে, সেটা ছিল আয়োজকদের ভয়।এই রস্ক প্রকল্পের মাধ্যমে কিছুদিন পূর্বে লামায় শতাধিক আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠিত করা হয়। যার কোনটি ভাল ভাবে চলেনি।চরম অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনায় বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয় গুলো।ব্যাহত হয় সরকারের উদ্দেশ্য।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অব্যবস্থাপনা ছিল মূল কারণ।একইভাবে রিচিং আউট-অব-স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) ফেইজ-২ প্রকল্প এর প্রি-ভোকেশনাল স্কিলস্ ট্রেনিং প্রোগ্রাম এর বাস্তবায়ন নিয়ে শংকা দেখা দিয়েছে জনমনে।আসলে কি এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি হবে নাকি রস্ক এর বিগত প্রকল্পের মত নয় ছয় করে শেষ হবে এবং ধ্বংস হবে সরকারের শত কোটি টাকা।