

বান্দরবান অফিসঃ-সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগের সভাপতি ইশরাত জাহান এশা শাস্তি সাথে সাথেই পেয়েছে বহিস্কার হয়ে।ওখানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।রগ কাটা বিষয়টাও গুজব ছিলো তা ও প্রমাণিত হয়েছে।ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন,এশার সঙ্গে যা হয়েছে তা মোটেও ঠিক হয়নি।কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত করতেই বহিষ্কার করা হয়েছিল। এখন বিষয়টি নতুন করে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।কি উদ্দেশ্যে গুজব ছড়িয়েছিল হল কমিটির সহ-সভাপতি মোরশেদা তাও খতিয়ে দেখা হবে।এদিকে,মঙ্গলবার দিবাগত রাতে লাঞ্ছিত হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পক্ষে না গিয়ে বহিষ্কার করেছিল।প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলে জানা গেছে।তবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এশা আত্নহত্যার মতো সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তারই পরিবারের একটি সূত্র।এশা এখন ঢাকায় তার আত্নীয়ের বাসায় রয়েছেন।তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগাচ্ছেন এশার বন্ধু-স্বজনরা।এশার পরিবারের একজন স্বজন এবং সাবেক ছাত্রলীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা যিনি বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহানগর পর্যায়ের নেতা,তিনি ভোরের পাতাকে নিশ্চিত করে বলেন,এশার প্রতি যা করা হয়েছে তা অন্যায়।কি উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগের নামধারীরা এশাকে এমনভাবে লাঞ্ছিত করেছে তা খুঁজে বের করতে হবে।ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এশার এই বড় ভাই। তিনি বলেন,বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে যদি তাদেরই একজন শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থী দ্বারা লাঞ্ছিত হয় তাহলে এর দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।রগ কাটার গুজব ছড়িয়ে যে মেয়েটি ভিডিও ভাইরাল করে দেশকে অস্থিতিশীল করেছিল,সেই মুরশিদার বিরুদ্ধে কেন প্রশাসন এখনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না?মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে রগ কাটার গুজব ছড়িয়ে এশার ওপর অমানবিক নির্যাতন চলানো হয়।উৎসঃ-(((ভোরের পাতা)))