

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা:ইসমাইল হোসেনের খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে আলীকদম উপজেলা যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ।বৃহস্পতিবার (৪এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে যৌথ এক মানববন্ধন থেকে তারা এই দাবী জানায়।আলীকদম উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন এম.এ এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আলীকদম উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সমরঞ্জণ বড়ুয়া,যুবলীগের সাবেক সভাপতি এম.কফিল উদ্দিন, নিহতের মেয়ের জামাতা ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার জিহাদ চৌধুরীর,আলীকদম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সুব রঞ্জন বড়ুয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৌরভ পাল ডালিম ও সাধারণ সম্পাদক মো:সোহেল।বক্তারা বলেন,ডা: ইসমাইল হোসেন কোন সংকীর্ণ মন মানসিকতার লোক ছিলেন না যে,কঠিন পরিস্থিতিতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিবেন!আত্মহত্যার যদি উদ্দেশ্য হতো তাহলে ২৭ এপ্রিল ঘর থেকে বের হয়ে ৩০ এপ্রিল আত্মহত্যা করতে গেলেন কেন?এই মৃত্যুটি কোন প্রকার আত্মহত্যা হতে পারে না। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা!কারা এর সাথে জড়িত এবং কেন করেছে প্রশাসন ইতিমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছে।প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি,খুনি যেই হোক,তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের মুকোমুখি করুন।না হয় আমরা কঠোর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হব।এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা: ইসমাইল হোসেনের খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (৪এপ্রিল) বিকাল ৫টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে পরিবারের পক্ষ থেকে এ মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই ছালামত উল্লার পরিচালনায়,পরিবারের স্বজনরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়।মানববন্ধন থেকে ডা: ইসমাইল হোসেনের খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।এসময় বক্তব্যে নিহতের বড় মেয়ে উম্মে আইমান তান্নি বলেছেন-মৃত্যুর আগের রাতেও তিনি মোবাইলে স্বাভাবিক কথাবার্তা বলেছেন।সুতরাং আমার বাবার মৃত্যুটি কোন প্রকার আত্মহত্যা হতে পারে না। পরিকল্পিত ভাবেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।এটি পরিকল্পিত হত্যা ছিল বলেই হোটেলের কক্ষে সোফার উপর টি টেবিলটি যথাস্থনে ছিলনা।বক্তব্যে তিনি আরো বলেন-তার বাবার হাতের তালুতে কালচে বর্ণ ধারণ করে যা হাতে আঘাত করা হয়েছে।ডান হাতের মধ্য আঙ্গুলটি ভাঙ্গা ছিল।কেউ স্বেচ্ছায় ফাঁসি নিলে গলায় একটি দাগ থাকার কথা।কিন্তু তাঁর বাবার গলায় তিনটি সম আকারের দাগ ছিল বলে দাবী করেন তিনি।তার নিজের পাশাপাশি,কলেজ পড়ুয়া ছোট বোন ও তার পরিবারের জীবনের নিরাপত্তার অভাব থাকার কথা বলে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের সহযোগিতা চান তিনি। মানববন্ধনে সহপাঠীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ একাত্বতা প্রকাশ করেন।উল্লেখ্য ৩০ এপ্রিল কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ডা:ইসমাইল হোসেনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।