

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর অদ্যাবধি রোয়াংছড়ি উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।তবে গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর চাঁদা সংগ্রহসহ আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি জোরদার করা হয়।এছাড়াও সোমবার (১১ নভেম্বর) অত্র অঞ্চলের হাট-বাজার পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।বান্দরবান-রুমা এর মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল রোয়াংছড়ি হওয়ায় অত্র এলাকায় যানবাহনসহ জনসাধারনের ব্যাপক আনাগোনা থাকে।যার ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক ও ফিটনেস বিহীন গাড়িসহ অবৈধ মালামাল,মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও অবৈধ অস্ত্রের অবাধ সরবরাহ বন্ধের নিমিত্তে স্থানীয় সেনাবাহিনী এই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।এরই অংশ হিসেবে সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল ০৬ টা থেকে রোয়াংছড়ি সেনা ক্যাম্প এর কমান্ডার মেজর এম এম ইয়াসিন আজিজ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল বিভিন্ন পয়েন্টে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আলমগীরসহ পুলিশের সহায়তায় ভ্রাম্যমান টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে।এসময় মেজর এম এম ইয়াসিন আজিজ বলেন,পার্বত্য রোয়াংছড়ি এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত ও জনসাধারনের জানমালের নিরাপত্তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।এদিকে একই দিন সকাল নয়টা থেকে সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৌম্য চৌধুরী এর নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে।এসময় ৩ হাজার ৮শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।উপজেলা প্রশাসনসহ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে এমন অভিযান এলাকায় সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীছগোষ্ঠীর চাঁদাবাজি অনেকাংশে হ্রাস ও শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে এমনটাই মনে করছে স্থানীয় জনসাধারন।এছাড়াও এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত ও অত্র এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এমন কার্যক্রম সাহায্য করবে বলেও জানায় স্থানীয় সুশীল সমাজ।