

সারা দেশের ন্যায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানেও চলছে অঘোষিত লকডাউন।করোনা ভাইরাসের কারণে পাহাড়ের প্রায় হতদরিদ্র মানুষ কর্মহীন হয়ে পরায় জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে জনপ্রতিনিধি ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।বান্দরবানে এমনই একজন মানুষ পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কাজল কান্তি দাশ।যিনি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নয় নিজস্ব তহবিল নিয়ে জনগনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।বান্দরবান জেলার সাধারণ মানুষের এই দূর্দিনে ঘরে বসে থাকতে নারাজ কাজল কান্তি দাশ।জেলায় করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গু থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ জীবন উপহার দিতে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত গত ১২ দিন ধরে হাজার হাজার টাকা খরচ করে জীবাণুনাশক পানি ছিটানো ও মশা কমাতে অত্যাধুনিক ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করিয়ে যাচ্ছেন।নিজ উদ্যোগে ইতিমধ্যে সহস্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চালের সঙ্গে দিয়েছেন ডাল,তেল,লবণ,আলু।করোনার এই দুর্যোগে পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র উদ্যোগে ১০ হাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা প্রেরনের মূল কারিগর ছিলেন কাজল কান্তি দাশ।পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় দুর্যোগকালীন ইতিহাসে একদিনেই সবচেয়ে বড় ত্রাণ সামগ্রী তথা মানবিক সহায়তার কর্মযজ্ঞ সফলভাবে সমাপ্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন প্রচার বিমুখ এই মানুষটি।
সিএইচটি টাইমস ডটকম প্রকাশক লুৎফুর রহমান উজ্জ্বল কে সমাজসেবক কাজল কান্তি দাশ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে আমার প্রিয় জেলা বান্দরবানে বসবারত সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সহায়তা করতে ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক পানি ছেঁটানোসহ করোনা সংক্রমন ঠেকাতে করনীয় সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেছি।জনপ্রতিনিধি হিসাবে একজন জনপ্রতিনিধির যা যা দায়িত্ব আছে তা পালন করতে চেষ্টা করে যচ্ছি।নিজস্ব তহবিল থেকে বান্দরবান এর পত্রিকা হকার,মুচিদের অর্থ সহায়তা দিয়েছি।যতদিন পর্যন্ত মহামারী দূর্যোগে বান্দরবানের মানুষ ঘরবন্দী হয়ে থাকবে ততদিন পর্যন্ত আমার এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।আমি জনস্বার্থে এই ধরনের কাজ গুলো করে যাবো প্রচারের জন্য নয়।আমার এই মানবিক সহায়তায় যদি একটি পরিবারের ছোট্ট একটি শিশুর মুখে হাসি ফুটে উঠে সেটিই হবে আমার জীবনের পরম স্বার্থকতা।আমি মনে করি সমাজের সব বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হয়ে যাবে।সামনে আমি আরও কিছু জায়গায় মানবিক সহায়তা দিবো।জনস্বার্থে এগুলো আমি প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।