

মোহাম্মদ আলী বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:-বান্দরবান ইসলামী পাঠাগারের আয়োজনে বান্দরবানের বড় বড় ব্যবসায়ী,আইনজীবি,বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকসহ সমাজের সুধিজনদের নিয়ে রমাজানের তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক বদর দিবসের আলোচনা সভাও ইফতার মাহফিল-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়।গত মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় ইসলামী পাঠাগার এর সভা কক্ষে এর আয়োজন করা হয়।বান্দরবান ইসলাীইসলামী পাঠাগার এর সহ-সভাপতি ও দৈনিক সচিত্র মৈত্রী পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক ওসমান গণি এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও বান্দরবান ইসলামী পাঠাগার এর সভাপতি দিলীপ কুমার বণিক।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি শাখা) মুফিদুল আলম,এ্যাডভোকেট আবুল কালাম,বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক বান্দরবান শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃসানা উল্লাহ,বান্দরবান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুব আলম প্রমুখ।ঐতিহাসিক বদর দিবসের বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা পেশ করেন,বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল,মুনাজাত পরিচালনা করেন বান্দরবান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা আলাউদ্দীন ইমামী।আলোচনা সভার প্রধান অতিথি বলেন,ইসলামী পাঠাগার ইকটি পবিত্র স্থান এই পাঠাগারের মাধ্যমে সমাজের যারা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য এই পাঠাগারটি ব্যাপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।আপনারা সরকারী যাকাত ফান্ডে আপনাদের যাকাতের টাকা জমা দিন,এই টাকা গরীব-অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হবে।আপনারা গত বৎসর আমাদের যাকাত ফান্ডে যাকাতের টাকাট জমা দিয়ে ছিলেন,আমি আশা করি এই বছর গত বৎসরের চেয়ে আপনারা আরো বেশী টাকা আমাদের সরকারী যাকাত ফান্ডে টাকা জমা দিবেন।সভায় বক্তরা আরো বলেন,নামাজ রোযার মত যাতাক ও ফরজ,অনেকে মনে করে কিছু টাকা ব্যাংক থেকে তুলে ফকিরদের দান করে দিলে হয়ে যাবে।সেটা ভূল ধারনা,কারণ যে ব্যক্তির সাড়ে সাত তুলা র্স্বণ,ও সাড়ে বায়ান্ন তুলা রৌপ্যর অর্থ এক বছর পরিমান থাকলে লোনের টাকা বাদ দিয়ে যা থাকবে তার উপর হিসাব যাকাত দিতে হবে।সভাপতি পরিশেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলোচনা সভার সমাপ্তি করেন।পরে দেশ ও জাতির কল্যানে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।