

৬ ফেব্রুয়ারি, রবিবার সকালে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। ২৭ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সুরের সরস্বতী। মৃত্যুকালে লতা মঙ্গেশকরের বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। উপমহাদেশের কিংবদন্তি এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে দুনিয়াজুড়ে।
উপমহাদেশ জুড়ে খ্যাতি পাওয়া এই কিংবদন্তি শিল্পী বিয়ে করেননি। ফলে সেই অর্থে ঘর-সংসার নেই। এ কারণে নেই লতার উত্তরসূরিও। অন্যদিকে, একেবারে আটপৌরে জীবনযাপন করতেন তিনি। অথচ ঈশ্বর তাকে কণ্ঠের সঙ্গে দিয়েছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, লতার সম্পদের পরিমাণ ১৫ মিলিয়ন ডলার। যা ১১১ কোটি রুপির সমতুল্য। আর মাসে আয় করতেন প্রায় ৪০ লাখ টাকা। ছিল হোটেলসহ নানা ধরনের ব্যবসা।
অন্য একটি সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, সব মিলিয়ে লতার সম্পদ ৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো, সন্তানহীন এই তারকার সম্পদগুলো কে পাচ্ছেন? তবে আপাতত তার উত্তর এখনও মেলেনি। দ্রুতই হয়তো জানা যাবে তার উইলগুলো। বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই মুখ খুলবেন তার আইনজীবী।উল্লেখ্য, ১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর লতার জন্ম এক মারাঠি পরিবারে। বাবার হাত ধরেই গান ও অভিনয়ের জগতে প্রবেশ করেন তিনি। ১৩-১৪ বছরে প্রথম গান গেয়েছিলেন মারাঠি ছবিতে। হিন্দিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন ‘মজবুর’ সিনেমা দিয়ে। লতার সুরেলা কণ্ঠ সিনেমা ও গানে প্রাণ ঢেলে দিতো। নক্ষত্রপতনে তাই শোকস্তব্ধ দুনিয়া।
সূত্র: নিউজ ট্রাক লাইভ