

বিনোদন নিউজ ডেস্কঃ-একমাত্র সন্তানকে নিজের কাছে রাখার অধিকার চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন লাক্সতারকা আজমেরী হক বাঁধন।গত বছর ৩ আগস্ট বাঁধনের পক্ষ থেকে এই মামলা করা হয়েছিল।বাঁধনের দায়ের করা ওই মামলার রায় প্রদান হয়েছে আজ (৩০ এপ্রিল)। সেখানে বাঁধন জয়ী হয়েছেন।এখন থেকে মেয়ে সায়রার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাঁধনের।গতকাল সোমবার দুপুরে বাঁধন তার ফেসবুক একটি পোস্ট দিয়ে জানিয়েছেন,দ্বাদশ সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালত (ঢাকা) যে আদেশ আমার মামলায় দিলেন,তা একটি যুগান্তকারী রায় এবং আদালত পাড়ায় মাইলফলক।বাঁধনের আইনজীবী দিলরুবা শারমিন বলেন,শুধু বাংলাদেশে নয়,এই উপমহাদেশ এটি বিরল উদাহরণ হয়ে থাকবে।আদালতের আদেশ অনুযায়ী কন্যা সন্তান সায়রার অভিভাবক হচ্ছেন মা আজমেরী হক বাঁধন।এখন থেকে মা (বাঁধন) এর জিম্মাতেই থাকবে মেয়ে।বাবা মাসে কেবল দুই দিন মায়ের বাড়িতে গিয়ে মায়ের উপস্থিতিতে মেয়েকে দেখে আসতে পাড়বেন।কিন্তু কন্যার মঙ্গলের জন্য মায়ের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।বাঁধন জানান,সায়রার বাবা মেয়ের পাসপোর্ট আটকে রেখেছেন।যদি বাবা সেটা ফেরত না দেন, তাহলে বাদিকে থানায় জি.ডি (সাধারণ ডায়েরি) করার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।
তারপর নতুন পাসপোর্ট দেবার জন্য পাসপোর্ট অফিসে আদালতের পক্ষ থেকে চিঠি ও আদেশ পাঠিয়ে দেয়া হবে জানান বাঁধনের আইনজীবী।মেয়ের অভিভাবকত্ব পাওয়ার পর বাঁধন বলেন,একটি বিশেষ দিক উল্লেখ না করলেই নয়।সামান্য ৫ লাখ টাকা দেনমোহরের দাবি আমি করিনি।কন্যার ভরণ-পোষণ তার বাবা এতদিন দেননি,আমি চাইওনি। বাবা’র কাছ থেকে ভরণ-পোষণ প্রতিটা মেয়ের অধিকার,মেয়ের দেখভাল করা প্রতিটি বাবারই দ্বায়িত্ব।সেই কাজটা এতদিন আমিই করে এসেছি। সায়রার বাবা ভবিষ্যতে করবেন কিনা,সেটা তার বিবেচনাতেই থাক।আমার জীবনের এই অংশটায় যারা যারা সমর্থন করেছেন,তাদের প্রত্যেককে আমার কৃতজ্ঞতা।’ ২০১০ সালে বিয়ে করা বাঁধনের সংসার ভেঙ্গে যায় ২০১৪ সালে।তিন বছর গোপন থাকার পর এ খবর প্রকাশ হয় ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।একমাত্র মেয়ে সায়রাকে নিয়ে জটিল হয় পরিস্থিতি।সন্তানকে নিজের কাছে রাখার অধিকার চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন তিনি।