

বান্দরবানের ৯নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়ায় গোপনে কবরস্থানের জায়গা বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে এলাকা বাসির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এবং এলাকাবাসিকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন সিকাদার পাড়া জামে মসজিদের জন্য দানকৃত জমির মালিক আর্মি পাড়া নিবাসী মো: ইউসুফ সিকদার।সিকদার পাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতিও তিনি এবং তারই দানকৃত জমি তিনি কবরস্থানের জন্য সেচ্চায় দান করেন।কিন্তু দানকৃত জমি বেশ কিছুদিন আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে এবং সম্পূর্ণ গোপন করে আমেনা আক্তার. পিতা চান্দু ভান্ডারি সাং হাফেজঘোনা ৮নং ওয়ার্ড ব্যাক্তিকে জমিটি বিক্রি করে দেয়।দানকৃত জমিটি বিক্রি করলে এলাকাবাসির মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয় এবং এলাকাবাসী বলেন তাকে কেউ এই জমি দান করতে বলেনি।সে নিজেই সেচ্চায় দান করলো আবার সে গোপনে তা বিক্রি করলো এবং তা মসজিদ কমিঠিকেও অবহিত করেনি।এতে করে গতকাল ১৯ জুন (রোজ শুক্রবার) সকাল ১১ টা নাগাদ তার স্ত্রী সন্তান ও ভাড়া করা বেশ কিছু লোকজন নিয়ে ঐই এলাকায় গিয়ে জায়গা দখল করতে সচেষ্ট হয়।এরই ফলশ্রুতিতে শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদে এই বিষয় আলোচনা হয় এবং পরে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও দানকৃত জমির মালিক ইউসুফ সিকদার মোবাইলে ফোন করে এলাকায় এসে সমাধান করতে বলা হলে সে অসুস্থতার বাহানা দিয়ে পাশ কাটিয়ে যায়।পরবর্তীতে ইউসুফ সিকদার তার স্বজনদের বিষয়টা বললে তারা এলাকাবাসিকে গালিগালাজ করতে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকে।এতে করে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পরে এবং দুপুর 2টার সময় তারা লোকজন নিয়ে সেই জায়গা দখল করে।এতে এলাকাবাসীর পক্ষে কাসেম,শফি,রহিম,হাসেম,রাজুনি সহ আরো অনেকে এসে এখানে কি হচ্ছে জানতে চাইলে তারা তাদের উপর চড়াও হয়।গালিগালাজ করে এবং দানকৃত জমির পাশের মালিক মোতালেব সিকাদার (৭৫) এসে জিজ্ঞেস করলে এবং তার যাতায়াতের রাস্তা রেখে দখল করতে বলা হলে তার উপর সবাই মার মুখো হয়ে পড়ে এবং তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিলে এলাকার লোকজন তাদের উপর ক্ষেপে যায়।এক পর্যায় এলাকার লোকজন তাদের ওখান থেকে সরে যেতে বললে হাতাহাতি হয়।এতে করে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।আহতদের মধ্যে মো:রহিম,মোতালেব সিকদার এবং তার বউ রুবিনা আক্তার।দখলকৃতদের মধ্যে হিরা আক্তার,মো:রনি সহ সর্বমোট ৫জন আহত হন।পর্বরতিতে উভয় পক্ষ থানায় মামলা করেন।