

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো.ইসলাম বেবী ১৭ই মার্চ কে বাঙালির এক অপার আনন্দের দিন উল্লেখ করে বলেন,১৯২০ সালের এই দিনে রাত ৮টার দিকে মা সায়েরা খাতুনের কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন ইতিহাসের এক মহানায়ক ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান মহান স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।আজ জাতি আনন্দ-বেদনায় উদযাপন করছে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মদিন।বান্দরবান পৌরসভা মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে জাতির পিতার ১০২তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এমন কথাই বলেন বান্দরবানের পৌর মেয়র,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি মো.ইসলাম বেবী।বান্দরবান পৌরসভার সচিব মো.তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাসের মহানায়ক হওয়ার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ সব কালে,সব যুগে জন্মগ্রহণ করেন না।যুগ-যুগান্তরের পরিক্রমায় হাতে গোনা দু্-একজন মানুষই শুধু ‘ইতিহাসের মহানায়ক’ হিসেবে আবির্ভূত হন।ইতিহাস তার আপন তাগিদেই মহানায়কদের সৃষ্টি করে।আর সেই ‘মহানায়ক’ই হয়ে ওঠেন তার কালের প্রধান কারিগর ও স্থপতি।বঙ্গবন্ধু ছিলেন তেমনই একজন কালজয়ী মহাপুরুষ,যিনি শুধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্নই দেখেছিলেন এবং জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন।আবার সেই স্বপ্নের কারণেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা আবির্ভূত হয়েছিলো।পরে বান্দরবান পৌরসভার উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে কেক কেটে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।এসময় বান্দরবান পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির,প্রধান হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা নুরুল করিম চৌধুরী আরমান,সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর এমেচিং মার্মা,দিপীকা রানী তঞ্চঙ্গ্যা,শাহানারা আক্তার শানুসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর মেয়রের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পৌরশহরে গত মঙ্গলবার ও বুধবার পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করেছে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।এসময় মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া বিভিন্ন বিলবোর্ড,ফেস্টুন এবং বেনার অপসারণ করা হয়।