

হঠাৎ করে আলোচনায় আসা জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কাওসার হোসেন সিএইচটি টাইমস ডটকমকে জানিয়েছেন,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নামে কোনও কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়নি।এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনও সুযোগ নাই।একই সাথে তিনি আরও বলেন, আগামী মঙ্গলবার (১০ মে) যে বিকেল ৫টায় জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজে আমার সভাপতিত্বে যে “কমিটি সভা” বলা হচ্ছে ওই সভাও হবে না।তিনি আরও বলেন,জেলা পরিষদ তো কোনও কমিটিই অনুমোদন দেয়নি।তাছাড়া মসজিদ অত্যন্ত পবিত্র একটি স্থান এখানে বিতর্ক তৈরি হলে প্রতিটি সিদ্ধান্তই বিতর্কিত হবে।এদিকে শিক্ষক মিজানুর রহমান দম্ভের সাথে নানা জায়গায় দম্ভোক্তি প্রকাশ করছে এবং শহিদুল্লাহ চৌধুরী জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার গোপনীয় কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব এর মাধ্যমে সবকিছু ম্যানেজ করবেন এমনও তথ্য এলাকায় ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন।এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিএইচটি টাইমস ডটকম নিজ উদ্যোগে আব্দুল মোতালেব কল করে বিষয়টির সত্যতা জানতে চাইলে তিনি জানান,এই ধরনের বিষয়ে আমার সম্পৃক্ততা কেনও টেনে আনা হলো আমি জানিনা।শিক্ষক মিজানের মুঠোফোন নাম্বার আমার কাছে নাই।পারলে আমাকে আপনারা নাম্বারটি একটু এসএমএস করে দেন।উল্লেখ্য,যেখানে জেলা পরিষদ কোনও কমিটিই অনুমোদন দেয়নি সেখানে শিক্ষক মিজানের সাক্ষরিত চিঠি পড়লে শুরুতেই দেখা যায় “এতদ্বারা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদর রেস্ট হাউজ জামে মসজিদের নতুন কমিটি জেলা পরিষদ পরিষদ কতৃক অনুমোদিত সম্মানিত সদস্যবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে” কথা গুলো লিখে তিনি একটি গর্হিত অপরাধ করেছেন।কারণ চিঠিতে লেখাই আছে সভা করা যেতে পারে।তাও ভিন্ন আরেকটি পৃষ্ঠায় অর্থাৎ এখানে পুরো বিষয়টি কে কৌশলে চালিয়ে দেয়ার একটি প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে।এলাকাবাসীর দাবি,এই শিক্ষক মিজান জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে আয়োজিত কমিটি সভা উল্লেখ করে যে চিঠি নিজের সাক্ষরে বিভিন্ন মানুষ কে পাঠিয়েছেন এতে প্রশ্ন উঠেছে তাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।জেলা পরিষদের সিইও এটিএম কাওসার হোসেন বিচক্ষনতার সাথে যদি কোনও কমিটি হয়নি এবং কমিটির সভাও বাতিল সিএইচটি টাইমস ডটকমকে এই বিষয়টি নিশ্চিত না করতেন তাহলে এলাকায় একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হবার আশংকা ছিলো।তবে এলাকাবাসীর দাবী,যে শিক্ষক এই ধরনের নিন্দনীয় ভুয়া একটি কাগজে সাক্ষর করে জেলা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি করলেন,গত দুই যুগ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীরা যখন নিজেদের দক্ষ নেতৃত্বে মসজিদ পরিচালনা করে আসছিলেন তখন এই চিঠির হোতাদের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হউক।প্রসঙ্গত,গত বৃহস্পতিবার (৫ মে) বিকেল ৫ টা ১ মিনিটের জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিতর্ক নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে বান্দরবানের প্রাচীন অনলাইন দৈনিক সিএইচটি টাইমস ডটকম।