বান্দরবান অফিসঃ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা বান্দরবান (সংসদীয় আসন ৩০০) থেকে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বান্দরবান এর প্রবেশ মূখ খ্যাত ৪নং সুয়ালক দুইবারের ইউপি চেয়ারম্যান ও চার বারের সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বান্দরবান সদর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ।আব্দুল কুদ্দুছ তনয় আশরাফুর রহমান এ তথ্য গণমাধ্যম কে নিশ্চিত করেছেন।আব্দুল কুদ্দুছ চেয়ারম্যান এর পক্ষে বান্দরবান জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উক্ত মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরেই ঢাকার উদ্দেশ্যে বান্দরবান ছেড়েছেন বান্দরবান জেলা বিএনপির প্রভাবশালী এই নীতিনির্ধারক।এর আগে গতকাল সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য ফেনী-১ আসনের মনোনয়ন ফরম কেনা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে তাঁর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে বগুড়া–৬ আসনের জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন নজরুল ইসলাম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৭ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।বিএনপির দপ্তর থেকে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার জন্য মোট তিনটি আসনের মনোনয়ন ফরম কেনা হবে। ফেনী-১ আসনের জন্য কেনা হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়া–৬ ও ৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। সোম, মঙ্গল ও বুধবার (১২-১৪ নভেম্বর) মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবে বিএনপি। ফরম জমা দেওয়ার তারিখ ১৩ ও ১৪ নভেম্বর। প্রতিটি ফরমের দাম পাঁচ হাজার টাকা। জমা দেওয়ার সময় দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ, কেনা ও জমা মিলিয়ে প্রতিটি ফরমের দাম পড়বে ৩০ হাজার টাকা।মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে–ভেতরে জড়ো হয়েছেন অনেক নেতা-কর্মী। একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা এ সময় চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। কোনো সমাবেশ ছাড়া বহুদিন পর দলীয় কার্যালয়ের সামনে সোমবার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর খালেদা জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। গত ৩০ অক্টোবর এই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। কারাবন্দী থাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।
Publisher - Lutfur Rahman (Uzzal)
Published By The Editor From chttimes (Pvt.) Limited (Reg.No:-chttimes-83/2016)
Main Road,Gurosthan Mosque Market, Infront of district food Storage, Bandarban hill district,Bandarban.
Phone - News - 01673718271 Ad - 01876045846
Copyright © 2025 Chttimes.com. All rights reserved.