

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সাচিং প্রু জেরী বাবুকে প্রার্থী করলেই বিএনপির বিজয় দেখছেন নেতাকর্মীরা। তারা এ লক্ষ্যে কাজও শুরু করে দিয়েছেন। বর্তমানে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় ফরম নিতে ঢাকায় আছেন সাচিং প্রু জেরী। জানা যায়, বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীর পিতা বোমাং রাজা অংশৈ প্রু চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমান সরকারের খাদ্য মন্ত্রী। তাছাড়া দীর্ঘ দিন থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দলকে শক্তিশালী করেছেন দারুন ভাবে। বিগত নির্বাচন সমূহে সারা দেশে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের কারনে কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতির মত ঘটনা ঘটলেও বান্দরবানে ছিল তার বিপরীত চিত্র। ২টি পৌরসভা ও সাতটি উপজেলা এ সংসদীয় আসনটির চারটি উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান।বাকি তিন উপজেলার কেনটিতে আওয়ামীলীগ বিজয় পায়নি। সবকটিতে বিজয়ী হয়েছে সমমনা রাজনৈতিক দল মনোনীতরা। ফলে পুরো জেলায় রয়েছে সাচিং প্রু জেরীর ব্যাপক কর্মী সমর্থক। বান্দরবান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মুজিবুর রশিদ বলেন, গত ২০০৮ সালে সাচিং প্রু জেরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৬৮ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। তার নেতৃত্বেই এ আসনের সাতটি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছে। রাজ পরিবারের সদস্য হিসেবে রয়েছে পাহাড়ি বাঙ্গালী উভয়ের মধ্যে গ্রহণ যোগ্যতা। সব মিলিয়ে সাচিং প্রু জেরীকে মনোনয়ন দিলে আমরা এ আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।সরেজমিন পরির্দশনকালে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জেরী বাবু সব সময় কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবেই পরিচিত। দলের দুঃসময়েও দেলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি আন্দোলনসহ সব ধরনের দলীয় কর্মসূচী পালন করে আসছে। কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার পুলিশের হামলার শিকারও হন। দলীয় কর্মসূচীতে অংশ নিতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের খোজঁ খবর নিয়মিতই রাখতেন তিনি। সব মিলিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেলে দীর্ঘ দিন আওয়ামীলীগের বীর বাহাদুরের হাতে থাকা আসনটি পুনরুদ্ধার হবে দাবী করে সাচিং প্রু জেরী বলেন, আমার বান্দরবানে বিএনপি একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে। গত স্থানীয় সরকার নির্বাচন সমূহে শত চেষ্টা করেও ক্ষমতাসীনরা বিএনপি প্রার্থীদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারেনি। এবারের নির্বাচনেও বিজয় ধানের শীষেরই হবে।
(((শহিদুল আলম বাবর,বান্দরবান থেকে ফিরে)))