

বান্দরবানে ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকালে খাদ্য মন্ত্রণালয় অধিনস্থ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষের বান্দরবান জেলা কার্যালয় কতৃক এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার ডা.সুমধু চক্রবর্তী।জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সুশীলা কর্মকার,নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী ফয়সাল ফারুকীসহ জেলা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।অভিযানে বেশকয়েকটি হোটেল রেস্তোরাঁয় নোংরা রান্না ঘরে পচাবাসী খাবার,ডিপফ্রিজে খাবার তৈরির মশলার সাথে কাচা মাছ-মাংস সংরক্ষণ করার প্রমাণ পাওয়া যায়।বিশেষ করে শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত রেস্টুরেন্ট ফিস্ট ও তাজিংডং রেস্তোরাঁ কে এসময় চুড়ান্ত সতর্কীকরণ বার্তা প্রদান করে অভিযানে অংশ নেয়া কর্মকর্তারা।এই দুইটি রেস্টুরেন্ট এর রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা থাকায় জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।অভিযানে হোটেল রেস্তোরাঁ গুলোর খাবারের মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ, ব্যাবসায়ীক সনদপত্র হালনাগাদ আছে কিনা যাচাই করার পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ করার আহবান জানানো হয়।এছাড়াও খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য সম্মত পোশাক,খাদ্য কর্মীদের নিরাপদ খাদ্য এবং হাইজিন এর উপর প্রশিক্ষণ,শুষ্ক পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা সহ বেশকিছু শর্ত ও নির্দেশনা সংক্রান্ত মূল্যায়ন ছকে প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক ও ব্যাবস্থাপকের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।এবিষয়ে জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার ডা.সুমধু চক্রবর্তী বলেন,পর্যটন শহর বান্দরবানের হোটেল-রেস্তোরাঁ গুলো কে নিয়মের আওতায় আনা হবে।প্রাথমিকভাবে এসব প্রতিষ্ঠান কে সতর্ক করলাম।পরবর্তী সময়েও যদি এই ধরনের পরিবেশ বিরাজমান থাকে তবে তাহলে নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ আইনানুযায়ী কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে।পর্যটন শহর বান্দরবানে আগত পর্যটক এবং স্থানীয় ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।