

বান্দরবানে ব্রীক ফিল্ড ব্যবসা,স্থানীয় এমপি বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির নামে কোটি টাকার চাঁদাবাজি করেন উজ্জ্বল শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং বান্দরবানের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উজ্জ্বল কান্তি দাশ।গত ১১ ডিসেম্বর রাতে উপরিউক্ত শিরোনাম এর সংবাদটি প্রকাশ করে বান্দরবানের স্থানীয় অনলাইন দৈনিক সিএইচটি ফার্স্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম।যেখানে বান্দরবান জেলায় ব্রীক ফিল্ড মালিক সমিতি নামে কোনও সংগঠনই নাই সেখানে ব্রীক ফিল্ড সমিতির নামে বান্দরবানের সাংসদ বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা নেয়ার প্রশ্নই উঠেনা।কারও নামে বছরে এক কোটি টাকা চাঁদা উঠানো কাল্পনিক তথ্য ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে উজ্জ্বল কান্তি দাশ সিএইচটি টাইমস ডটকমকে বলেন,অপসাংবাদিকতার ধারক ও বাহক জনৈক বিপ্লব চাকমা তার অফিস খরচ হিসেবে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চেয়ে আসছিলো কিন্তু আমরা ব্রীক ফিল্ড মালিকরা এটা দিতে পারবোনা বলার পর থেকে আমার এবং ব্রীক ফিল্ড ব্যবসায়ীদের পেছনে উঠেপরে লেগেছে।পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি আমার নেতা।তিনি শুধু আমার নেতা নয় পুরো পার্বত্য অঞ্চলের গণমানুষের নেতা।আমার মতো হাজারো নেতার সাথে উনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।তার মানে কি আমরা সবাই উনার নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা করছি?এমন প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন,দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে বান্দরবানে আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত সততার সাথে ব্যবসা করছি কিন্তু বিপ্লব চাকমার মতো চাঁদাবাজ সাংবাদিক আমার এই অর্জন নিয়ে ভুঁয়া তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে।এই মুহুর্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার নেতা বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন আর নির্বাচনের এই সময়ে পরিস্থিতি খারাপ হয় এমন কোনও কর্মকান্ডে আমি অংশ নিতে চাইনা তবে নির্বাচনের পরে আইনের আশ্রয় নিবো।এসময় উজ্জ্বল কান্তি দাশ আরও বলেন আমার বর্ণাঢ্য ব্যবসায়ীক পরিচিতি কে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করতেই আমার সম্পর্কে বিপ্লব চাকমা এমন ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ করা হয়েছে।এদিকে বান্দরবান জেলার ১৫ থেকে ২০ টি ব্রীক ফিল্ড মালিকদের সাথে কথা বলে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়া যায়নি।ব্রীক ফিল্ড মালিকরা জানিয়েছেন,স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কারও কাছে জিম্মি হয়ে ব্যবসা করার প্রশ্নই আসেনা।বিপ্লব চাকমা মিথ্যাবাদী সাংবাদিক,অফিস খরচের এক লক্ষ টাকা না দেয়ায় ব্রীক ফিল্ড ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।এসময় এসব ব্রীক ফিল্ড মালিকরা আরও বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন প্রকার তথ্য প্রমান ছাড়াই সাংবাদিকতা পেশার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।আমাদের এই দীর্ঘ ব্যবসায়ীক জীবনে বান্দরবানের কোনও সাংবাদিক অতীতের কোনও সময়, আমরা ব্রীক ফিল্ড মালিকদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তুলতে পারেনি যা সিএইচটি ফার্স্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম সাংবাদিকরা তুলেছে।এটা অত্যন্ত ধৃষ্ঠতাপূর্ন এবং নিন্দনীয় সংবাদ।এইরকম আজগুবি তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ সমাজের জন্য ক্ষতিকর।এদিকে ব্রীক ফিল্ড মালিক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ বলেছেন,আমার সাথে বিপ্লব চাকমার কোনও কথাই হয়নি।সে চাঁদা না পেয়ে পাগলের প্রলাপ বকছে।