

বিশ্ব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি,বান্দরবান ইউনিটের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।দিবসের শুরুতেই রবিবার (৮ মে) সকালে বান্দরবান জেলা পুলিশের চৌকস বাদকদলার বাদ্য যন্ত্রের তালে তালে বর্ণাঢ্য একটি র্যালি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন শেষে জেলা শহরের প্রানকেন্দ্র ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।পরে বান্দরবান ইউনিটের সহসভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বান্দরবান রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি দাশ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ সদস্য ক্য সা প্রু মারমা,ইউনিট সদস্য সদস্য খলিলুর রহমান সোহাগ,নাজমুল হাসান ভুইয়া,নাজমুল হোসেন বাবলুসহ যুব ইউনিট এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন ইউনিট লেভেল অফিসার মো.মোশারফ হোসেন।এছাড়াও দিবস উপলক্ষে সকালে জাতীয় পতাকা ও রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলন করা হয়।অনুষ্ঠিত হয় সেচ্ছায় রক্ত দান কর্মসূচির মতো মহতি অনুষ্ঠান।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান ছাড়াও ইউনিটের প্রশিক্ষক ও লাইফ মেম্বাররা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য,১৮২৮ সালের এই দিনে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট-এর প্রতিষ্ঠাতা জীন হেনরী ডুনান্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।এই মহান ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার জন্য প্রতিবছর তার জম্ম দিনটিকে বিশ্ব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে উদযাপন করা হয়।করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জীবনবাজি রেখে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে কাজ করা রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়েই তাদের মনে সাহস,কাজের উৎসাহ যোগানো ও তাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে এবছর ‘বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস’ ব্যাপক আয়োজনে পালন করা হচ্ছে।তবে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই বছর তা সংক্ষিপ্ত আয়োজনে উদযাপিত হয়।