

বান্দরবানে দুর্নীতি দমন কমিশনের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে এই গণ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।আর সেই গণশুনানিতে নিজের দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছেন সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন।২০১৬-১৭ অর্থ বছরে চট্রগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় বান্দরবানে দুটি জলাশয় নির্মাণ করে দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করায় সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিনকে দুটি প্রকল্পের মোট ৭ লক্ষ ৩৭ হাজর টাকা ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন দুর্নীতি দমন কমিশনার।ঠিকাদার উচনু মারমার স্ত্রী লিলি প্রু মারমা দুর্নীতি দমন কমিশনে সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে গণশুনানিতে অভিযোগটি উত্থাপন করা হয়।সেখানে মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন তার অভিযোগ স্বীকার করে নিলে দুর্নীতি দমনের কমিশনার আত্মসাতকৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন।জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম জানান মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন বুধবার টাকা জমা দিবেন।ওই টাকা অভিযোগকারীদের সাথে নিয়ে তাদের প্রাপ্য টাকা বুঝিয়ে দেয়ার পর বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।এছাড়া গণশুনানিতে বান্দরবানের বিদ্যুৎ বিভাগ,ভূমি অফিস,পাসপোর্ট অফিস,বিআরটিএ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়।শুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম।জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুনানিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অংচ মং মারমা প্রমুখ।শুনানিতে বান্দরবানের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।