

মোঃরফিকুল ইসলাম,বান্দরবান প্রতিনিধিঃ-বান্দরবান রুমা সড়কে পাহাড় ধসে একজন নিহত হয়েছেন।এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন চারজন।রবিবার বেলা ১১টার দিকে বান্দরবান রুমা সড়কের ওয়াই জংশন এলাকার দৌনিয়াল পাড়ার কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহতের নাম চিং মেহ্লা মার্মা (১৯)।আহতরা হল,সিংমেচিং (১৭),মুন্নি বড়ুয়া (৩৫) সহ ৪জন।বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন সিএইচটি টাইমস ডটকমকে জানিয়েছেন, সড়কের এক কিলোমিটার নিচ থেকে চিং মেহ্লা মারমা নামে এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।এ পাহাড়ধসে আরো চারজন নিখোঁজ রয়েছে।ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,বেলা ১১টার দিকে বান্দরবান থেকে রুমা উপজেলার পথে যাত্রীবাহী বাস দৌলিয়ান পাড়া এলাকায় আসে।এ এলাকা আগেই পাহাড়ধসে ভেঙে যায়।এখান দিয়ে কোনো যানবাহন চলে না।ফলে যাত্রীরা এখানে নেমে হেঁটে এলাকাটি অতিক্রম করে।এ সময়ই তাঁদের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে।তাৎক্ষণিক তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। বিকেলে ১জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।আরো চার বাসযাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।সেনাবহিনীর প্রকৌশল বিভাগ ১৯ ইসিবির উপ-অধিনায়ক মেজর ইফতেখার ঘটনাস্থল থেকে জানান,সেনাবাহিনী,ফায়ার সার্ভিস,দমকল বাহিনী, পুলিশ প্রশাসন ও রেড ক্রিসেন্ট যৌথভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।সন্ধ্যা নামায় এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।
ইতিমধ্যে পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি,৬৯ পদাতিক বিগ্রেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃযুবায়ের সালেহীন এনডিইউ পিএসসি, জেলা প্রশাসক জনাব দিলীপ কুমার বণিক ও পুলিশ সুপার জনাব সঞ্জিত কুমার রায়।প্রসঙ্গত,গত ১২ জুন অবিরাম বর্ষণে বান্দরবান-রুমা উপজেলা সড়কের দৌলিয়ানপাড়া এলাকায় পাহাড়ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।সেনাবাহিনী কয়েক দফায় পাহাড়ের মাটি সরানোর চেষ্টা করে।কিন্তু বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় তা পারা যায়নি।তবে সড়কের দুই পাশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক আছে।