

চার দিনের টানা বর্ষনের ফলে বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি চিম্বুক সড়কের নয় মাইল এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে রুমা ও থানচি উপজেলার সাথে বান্দরবান জেলা শহরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,আজ সোমবার (৮ জুলাই) সকালে প্রবল বর্ষণের কারনে ওই এলাকায় সড়কের ওপর একটি বিশাল পাহাড় ধসে পড়লে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।ফলে রাস্তার দুই পাশে বেশকিছু যানবাহন আটকা পড়ে।এই সড়ক ব্যবহারকারী লোকজন এখন সীমাহিন দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন।পাহাড়ে ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসরত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরে আসার জন্য জেলা প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় মাইকিং করা হয়েছে।ইতিমধ্যে জেলার সাতটি উপজেলায় খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,টানা চার দিনের ভারী বর্ষনের কারনে জেলার উপজেলা গুলোর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের ব্যাপক আশঙ্কা দেখা যাওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ন বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে জরুরী ভিত্তিতে বান্দরবান সদরে ১০টি,লামায় ৫৫টি,রুমায় ৬টি,থানচিতে ৩টি,আলীকদমে ১০টি,রোয়াংছড়িতে ২২টি ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২০টি আশ্রয় কেন্দ্র এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টির কারণে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বান্দরবান ও লামা উপজেলার পৌর এলাকাসহ জেলার বেশকিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।