

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা জি-আর খাতের আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে মানবিক সহায়তা পেয়েছে বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ১২টি দোকান ও তিনটি বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তরা।গত বুধবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কাওসার হোসেন,জেলা পরিষদ সদস্য ক্য সা প্রু মার্মা ও জেলা পরিষদ সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর এর উপস্থিতি তে জেলা পরিষদ এর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেককে নগদ ৫ হাজার টাকা ও ৫০ কেজি করে চাল এবং দুইটি করে শীতবস্ত্র (কম্বল) প্রদান করা হয়।এসময় বান্দরবান সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি পাই হ্লা অং,সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান রাজু মং হ্যাডম্যান,জামছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যসিংশৈ উপস্থিত ছিলেন।এবিষয়ে জেলা পরিষদ সদস্য ক্য সা প্রু বলেন,জেলা পরিষদ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক কে গত বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালেও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ বাঘমারায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক কে ২ বান করে সর্বমোট ৩০ বান ঢেউ টিন মানবিক সহায়তা হিসেবে হস্তান্তর করবে।তিনি আরও বলেন,ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তাদের অকল্পনীয় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তাদের অনেক দিন সময় লাগবে।তারপরও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ যতটুকু সম্ভব ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলোর জন্য মানবিক বিবেচনা সহায়তা করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।জেলা পরিষদ সবসময় চেষ্টা করে অসহায় মানুষের পাশে থাকতে এবং তাদের বিপদ আপদে পাশে থাকতে।এরই অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জি-আর খাতের আওতায় আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলার অংশ হিসেবে তাদেরকে এসব মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে নিশ্চিত করেন জেলা পরিষদ সদস্য ক্য সা প্রু মার্মা।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহর রাত তিনটায় বাঘমারা বাজারের পঞ্চয়ন দাশ এর চায়ের দোকান থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে।এতে নিমিষেই পুড়ে যায় বাজারের দোকানপাট ও বসতবাড়ি।পরে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট।ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন তাদের কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।