

বান্দরবান পৌর আওয়ামীলীগ এর প্রয়াত সহসভাপতি চথোয়াই মং মার্মা স্বরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ সোমবার (২৭ মে) বিকেলে বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ এর সহসভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত শোক সভায় বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ এর সহসভাপতি এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাস,পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি অমল কান্তি দাশ উপস্থিত হয়ে প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা চথোয়াই মং মার্মা কে স্বরণ করেন।বান্দরবান জেলা কৃষকলীগের সভাপতি প্রজ্ঞাসার বড়ুয়া পাপন সঞ্চালিত শোক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত কান্তি দাশ,জেলা যুবলীগ আহবায়ক মোঃহোসেন,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ওমর ফারুক,জেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা,জেলা কৃষকলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল আলম বাবু,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন চৌধুরী সঞ্চয়,জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জনি সুশীল,জেলা শ্রমিকলীগ সহসভাপতি রফিকুল আলম,জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ প্রমুখ।এসময় শোক সভায় জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্থরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।শোকসভায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী বলেন,যারা চথোয়াই মং এর মত নিরিহ মানুষকে নৃশংসভাবে কষ্ট দিয়ে হত্যা করেছে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।আওয়ামীলীগ শান্তিতে বিশ্বাস করে,তাই পাহাড়ে শান্তি অব্যাহত থাকুক এটাই আমরা চাই।আজকের এই শোক সভা থেকে স্পষ্ট করে স্থানীয় প্রশাসনকে বলতে চাই অবিলম্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের লাগাম টেনে ধরতে হবে।আমরা আমাদের আর কোনও ভাইয়ের রক্ত ঝরানোর সুযোগ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিবো না।এসময় শোকসভায় জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাস বলেন,চথোয়াই মং মারমার হত্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বিভিন্ন তথ্য প্রচার করেছে বিভিন্নভাবে।এসময় তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের সাথে কারো শক্রতা নেই।আওয়ামীলীগ এমন একটি সংগঠন যেটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার আপোষহীন প্রতীক।এই সংগঠনের উন্নযনের ধারা দেখতে পেয়ে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পাহাড়ে হত্যা গুম ও অশান্তি সৃষ্টি করছে,আমরা চাই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকুক।এসময় বক্তারা আরও বলেন,পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা সকল সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে প্রশাসনের উচিত এলাকায় শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনা এবং আরো বেশি বেশি অভিযান পরিচালনা করা যাতে সন্ত্রাসীরা বান্দরবানের কোন সীমানায় অবস্থান করতে না পারে।