
সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-তিন দিনব্যাপী ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা’২০১৭ এর পুরষ্কার এবং সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে বিজয়ী প্রতিযোগিদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা’র সভাপতিত্বে পুরষ্কার ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপি।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইসচেয়ারম্যান তরুণ কান্তি ঘোষ,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব সুদত্ত চাকমা,জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক,পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়,বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ইসলাম বেবী,জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ,এ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।আয়োজক সুত্রে জানা যায়,রাঙ্গামাটির সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি হয়ে রাঙ্গমাটি শহরের আসামবস্তি সেতুর উপর দিয়ে বান্দরবানের নীলগিরি পর্যন্ত মোট ২৫০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়েছে প্রতিযোগীরা।প্রতিযোগিতায় ৪২ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ১জন মহিলা ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে অংশ নিয়েছেন ১১ জন।প্রতিযোগিতায় ৯ ঘণ্টা ৪২ মিনিটি ৩৩ সেকেন্ড ব্যয় করে প্রথম হন ঢাকার আলা উদ্দিন।৯ ঘণ্টা ৫৯ মিনিটি ২২ সেকেন্ড ব্যয় করে ২য় স্থান অর্জন করেন একই জেলার আব্দুল্লাহ দ্রুব এবং ১০ ঘণ্টা ১৪ মিনিট ১৪ সেকেন্ড ব্যয় করেন ঢাকার মেহেদি হাসান।বেস্ট ডিফেন্ডার নির্বাচিত হন মেহেদি হাসান এবং বেস্ট প্রাইমার নির্বাচিত হন আলাউদ্দিন।প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারীকে ৮০ হাজার,দ্বিতীয়কে ৬০ হাজার এবং তৃতীয়কে ৪০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর জানান আগামীতে তিন পার্বত্য জেলায় এ ধরনের অরো আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া বিদেশে কেউ এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে চাইলে তাদের মন্ত্রণালয় থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।উল্লেখ্য,পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্পের বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে গত ২৪ মার্চ শুক্রবার সকালে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন কেন্দ্র থেকে তিন দিনব্যাপী ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও এ্যাডভেঞ্চার ক্লাব যৌথভাবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।তিন পার্বত্য জেলার সেনাবাহিনী,বিজিবি ও জেলা পরিষদ প্রতিযোগিতা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।