

বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার অবিচলিত পাড়ার অদম্য মেধাবী লিদিরামদিন পার বম। বান্দরবান কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এ শিক্ষার্থী মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে।পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্য বাবা একটি এনজিওতে কাজ করে এবং বড় ভাই গাড়ি চালক।মা গৃহিণী এবং ছোট বোন বান্দরবান গার্লস হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।দুর্গম পার্বত্য জনপদে বসবাস করে দেশের অনেক অগ্রসরমান শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।পাশাপাশি মেধাবী এই শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য এবং নির্বিঘ্নে পড়াশোনা চালিয়ে যাবার জন্য বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি তাকে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকার চেক প্রদান করেন।বুধবার (২৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বিজ্ঞানের মেধাবী এই শিক্ষার্থী চেকটি গ্রহণ করেন।এসময় জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি চিকিৎসাশাস্ত্রে সফলভাবে অধ্যয়ন সমাপ্ত করে সে যাতে বান্দরবানের আপামর মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে পারে সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে নিয়ে লিদিরামদিন পার বম কে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন।এসময় মেধাবী এই শিক্ষার্থীর মেডিকেল শিক্ষা জীবন যাতে দারিদ্র্যতার কাছে হার না মানে সেই জন্য বান্দরবান জেলা প্রশাসন সবসময় তাঁর পাশে থাকবে বলেও দৃঢ় কন্ঠে তাকে আশ্বস্ত করেন।জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.কায়েসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন,কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম সুন্দর এবং উন্নত পাঠ্য কার্যক্রম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি মহোদয় সবসময় আন্তরিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।এরই একটি নজির সৃষ্টি হলো লিদিরামদিন বমের ভালো ফলাফল।শুধু কালেক্টরেট মেধাবী শিক্ষার্থী নয় সম্মানিত জেলা প্রশাসক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য পীড়িত অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী কে পড়াশোনা চালিয়ে নিতে নানাভাবে পাশে দাড়িয়েছেন।এইভাবে আগামীতেও তিনি এসব দরিদ্র কিন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন।