

মোহাম্মদ আরিফ,বান্দরবান (সদর) প্রতিনিধি:-বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা ভাগ্যকুলে বন্যহাতি এক আতংকের নাম। প্রায় চার বছরের ও অধিক সময় ধরে এসব হাতি তান্ডব চালিয়ে জানমালের ক্ষতি সাধন করলেও অত্যাচার বন্ধে নেই কোন স্থায়ী উদ্যোগ।প্রায় প্রতি রাতেই এসব এলাকার কোনো না কোনো জায়গায় আক্রমন চালাচ্ছে বন্যহাতি।সমতলে এসে বাড়ি ঘরে ঢুকে মানুষ মারছে, বাড়ছে দুর্ভোগ।অসহায় হয়ে পড়েছে মানুষ বন্যহাতির কাছে।সরকারীভাবে হাতিকে বলা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে বলছে-হাতি যদি রাষ্ট্রীয় সম্পদ হয়,তাহলে মানুষ কি?আর কত মানুষের প্রাণ যাবে বন্যহাতির কাছে?ভাবতে হবে হাতি আগে নাকি মানুষ আগে?ডাইনোসর পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে,তাতে মানুষের কি হয়েছে?তাই পাহাড়ে হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন করতে হবে।পাহাড়ী এলাকায় হয় হাতি থাকবে না হয় মানুষ থাকবে।মানুষের কষ্ট না দেখলে বুঝা বড় কঠিন।আর কত…?এসব এলাকার মানুষ এখন ক্ষুব্ধ! মিডিয়াকর্মীদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ!খোজ নিয়ে জানা গেছে সাম্প্রতিককালে প্রায় ২০ জন মানুষ হাতির আক্রমনে প্রান হারিয়েছে।ঘরবাড়ি ভাংচুর হয়েছে প্রায় ১০০ টির ও বেশি!এই পর্যন্ত প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট করেছে এই হাতির দল।সরকারী উদ্দোগে কোটি কোটি টাকা খরছ করে একটি প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ শেষ করা হলেও সুফল পাচ্ছেনা জনগন।অভিযোগ উঠেছে,কোটি কোটি টাকার এইসব প্রকল্প সরকারের আন্তরিকতা থাকা সত্বেও ফলপ্রসু হচ্ছেনা গুটিকয়েক সুবিধাবাদীদের জন্য।