

বান্দরবান জেলা শহরে সদর উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে।আজ রবিবার (৩০ জুন) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নোমান হোসেন প্রিন্স এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে আসা বিদেশী ত্রাণ সামগ্রী প্রতিদিন বান্দরবান বাজারে বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আজ রবিবার সকালে জেলা শহরের মার্মা বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন।এসময় ভ্রাম্যমান আদালত বান্দরবান বাজার থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য বিদেশী ত্রাণ হিসেবে আসা সাবান,পেস্ট,পুষ্টি পাউডার,কেলসিয়াম,ঔষধসহ মেয়াদ উর্ত্তীণ পণ্য সামগ্রী জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করেন।পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, খোলা জায়গায় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বসা দোকানীদের মৌখিকভাবে সাবধান করে দেন।অভিযানে অংশ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নোমান হোসেন প্রিন্স বলেন,কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।আগামীতে যে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য বেচাকেনার খবর পেলেই আমরা অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।জনসাধারণের স্বার্থে এই ধরণের অভিযান আগামীতেও চলমান থাকবে বলে জানান উপজেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তা।উল্লেখ্য, বান্দরবানে দিন দিন প্রসার লাভ করছে রোহিঙ্গাদের জন্য আসা বিদেশী ত্রানসামগ্রী বিক্রির দোকান।শহরের প্রধান সড়কের দু পাশ মার্মা বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিন কয়েক ডজন ভাসমান দোকানী রোহিঙ্গাদের ত্রাণের সামগ্রী বিক্রি করতে রীতিমতো দোকান খুলে বসে।এসব দোকানে প্লাষ্টিক সামগ্রী,খেলনা,সৌরবাতি,ব্যাটারি,রেডিও, কসমেটিক্স সামগ্রী,খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি সামগ্রী দেদারছে বিক্রি হয়।শুধু তাই নয় এসব ভাসমান দোকানে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদোর্ত্তীণ ও ভেজালে ভরা সামগ্রী।অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের হওয়ায় এসব সামগ্রী কিনে প্রতারিত হচ্ছেন স্থানীয় জনসাধারণ। ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও।বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ উঠছিলো।এদিকে অবৈধ ও রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দকৃত বিদেশী ত্রাণ বেচাকেনার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ীরা।তাঁরা এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করারও আহবান জানিয়েছেন।