

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনার এক সপ্তাহ পর সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা প্রশাসক।গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এতে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক ছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুন উর রশিদ,নেজারত ডেপুটি কালেক্টর হুসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক জানান,পাহাড় কাটা,পাথর উত্তোলনসহ পরিবেশ বিপর্যয় রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এছাড়া পাহাড় ধসে যাতে নতুন করে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সে লক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের তালিকা তৈরি,ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।প্রয়োজনে সময়মত তথ্য দিতে না পারায় সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক জানান,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সবকিছু পারেন না,তারা বুঝতেও চান না।যে কারণে আমাদের সমস্যায় পরতে হয়।দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা রাখা হয়েছে।প্রয়োজনের সময় তাদের সরিয়ে নেওয়া হবে।এছাড়া পাহাড় ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে যাতে সাথে সাথেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।জেলা প্রশাসক জানান,পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫শ’ পরিবারের মধ্যে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখা হতে ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ ও ১৬৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক জানান,পাহাড়ে বা পাহাড়ের পাদদেশে যারা বসবাস করছে তাদের নতুন করে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং তাদের সেখান থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ সরে না গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উল্লেখ্য বান্দরবানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড় ধসে গত মঙ্গলবার ৪ শিশুসহ ৬ জন নিহত হয়।তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের কোনো তালিকা এখনো পাওয়া যায়নি।