

বান্দরবান জেলায় বক্সিং ইভেন্ট সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমকে শৃঙ্খলায় ফেরাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা এর সভাপতি বরাবরে চিঠি দিয়েছেন ৫ ফেব্রুয়ারি সেচ্ছ্বায় পদত্যাগ করা বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক সংবাদকর্মী লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল)।চিঠিতে একটি ক্লাবের নাম রাতারাতি পরিবর্তন এবং বক্সিং সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমকে শৃঙ্খলায় ফেরাতে জেলা ক্রীড়া সংস্থা সভাপতি বরাবরে অনুরোধ জানানো হয়।এছাড়াও জেলা ক্রীড়া সংস্থা এর দিকনির্দেশনা না নিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ আয়োজনের ভার্চুয়াল ঘোষনার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাজার মাঠে ৮ ফেব্রুয়ারি পুর্বনির্ধারিত বক্সিং চ্যাম্পিয়নশীপ স্থগিত করে প্রশাসন।পরে বাছাই এর নামে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে এবি সিদ্দিক নামক একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে বান্দরবান জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’র সদস্য সংবাদকর্মী লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) কে বহিষ্কারের একটি ছবি পোস্ট করে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।অনুসন্ধানে জানা যায় ফেসবুকে এবি সিদ্দিক নামক একটি প্রোফাইল থেকে সর্বপ্রথম এই গুজব ছড়ানো হয়।পরে অনুসন্ধানে আরও জানা যায় এই এবি সিদ্দিক বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু এর ঘনিষ্ট আত্মীয়।যদিও প্রীতি ম্যাচ শেষে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু কে হিলটপ বক্সিং সোসাইটি এর চেয়ারম্যান উল্লেখ করা হয়।জানা যায়,বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) গত ৪ ফেব্রুয়ারি বান্দরবানের বক্সিং ইভেন্ট সম্পর্কিত সকল কার্যক্রম কে শৃঙ্খলায় ফেরাতে বান্দরবান জেলা ক্রীড়া সংস্থা এর সভাপতি বরাবরে একটি আবেদন করেন।পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগও করেন লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল)।কিন্তু এবি সিদ্দিক ফেসবুক প্রোফাইল থেকেই মূলত এই গায়েবি এই বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।যেখানে কারা এই বহিষ্কার করলো উল্লেখ করা হয়নি।এমনকি কারও সাক্ষরও ছিলো না।নিয়ম অনুযায়ী বহিষ্কারের পুর্বে কোনও চিঠিও দেয়া হয়নি।বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের চেয়ারম্যান ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে পরিচিত সাবেক ফুটবলার মাহফুজুর রশীদ বাচ্চুর দিকনির্দেশনায় বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের এডমিন এবি সিদ্দীক ক্লাবের নামটি পরিবর্তন করেছেন।এবিষয়ে জানতে দফায় দফায় ফোন করা হলেও সাড়া দেননি মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু।তবে ফেসবুকে গুজব ছড়ানো এবি সিদ্দিক ৬ই মার্চ দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটের সময় মুঠোফোনে জানান, বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু’র নির্দেশে তিনি বহিষ্কারের ওই পোস্ট ফেসবুকে আপলোড করেছেন।পরে তিনি আরও উল্লেখ করেন,তিনি বান্দরবান বক্সিং একাডেমির ফাউন্ডার এবং বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের সাথে কোনও সম্পৃক্ততা নাই।এদিকে এমন কান্ডজ্ঞানহীন ফেসবুক গুজবের বিষয়টি বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের আরেক পরিচালক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর ফারুকের নজরে আনা হয়েছে।এমন ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদকর্মী লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) বলেন,এ বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থা কে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।এছাড়াও কথিত এই বক্সারের কান্ডজ্ঞানহীন এসব আচরনের বিষয়টি জেলা ক্রীড়া সংস্থা বরাবরে লিখিতভাবে জানানো হবে।লুৎফুর উজ্জ্বল আরও বলেন,এই বিষয়টি আমার পেশাগত জীবনের জন্য একটি হুমকি বলেই মনে করছি।তাছাড়া এই ধরনের অযাচিত ফেসবুক গুজব স্যোশাল মিডিয়াতে আমার সামাজিক নিরাপত্তাও লঙ্ঘন করেছে।প্রাচীন অনলাইন দৈনিক সিএইচটি টাইমস ডটকম ও বান্দরবানের প্রথম ইংরেজি অনলাইন দৈনিক বান্দরবান ট্রিবিউন ডটকম এর প্রতিষ্ঠাতা লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) আরও বলেন,দীর্ঘদিন যাবৎ সংবাদকর্মী হিসেবে আমি সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।সম্পুর্ন ব্যাক্তিগত আক্রোশ থেকে প্ররোচিত হয়ে এমন কাজটি করা হয়েছে।আমার পেশাগত ও সামাজিক অর্জনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই মূলত স্যোশাল মিডিয়াতে এই ধরনের সাইবার আক্রমন করা হচ্ছে।এছাড়াও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বক্সিং সম্পর্কিত কোনও কার্যক্রমে আমি সম্পৃক্ত ছিলামও না।তবে এবিষয়ে জানতে আমি নিজেই বান্দরবান বক্সিং ক্লাবের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রশিদ বাচ্চুকে ফোন করেছিলাম কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।তবে তাকে হোয়াটসএপ নাম্বারে বার্তা পাঠানো হয়েছিলো।সেখানেও তিনি সাড়া দেননি।এবিষয়ে লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) আরও বলেন,জেলা ক্রীড়া সংস্থা এর সভাপতি মহোদয়কে সাইবার আক্রমনের বিষয়টি অবহিত করা হবে।এছাড়াও শারীরিক ও সাইবার নিরাপত্তা সুরক্ষা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলাা বাহিনী বরাবরে অবহিত করা হবে।