

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেনা রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতা এবং বান্দরবান সদর জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সকালে বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে বান্দরবান জেলার অধীনস্থ সাতটি উপজেলার সকল জোনের আওতাভুক্ত হেডম্যানদের উপস্থিতিতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো.জিয়াউল হক,এনডিসি, এএফডব্লিউসি,পিএসসি।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোমাং সার্কেল চীফ উ চ প্রু চৌধুরী।
এছাড়াও সকল জোনের জোন কমান্ডার,রিজিয়নের অফিসার্স,দূরদূরান্ত হতে আগত হেডম্যানসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বান্দরবান জেলার সকল হেডম্যান অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল হক বলেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।দেশের যেকোনো কাজের অগ্রভাগে সেনাবাহিনীর অবদান উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।পার্বত্য অঞ্চলেও সেনাবাহিনীর অবদান অপরিহার্য।সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই আজকের এই সম্মেলন।এসময় তিনি,প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য হেডম্যানদের প্রতি আহ্বান জানান।পাশাপাশি সেনাবাহিনীও তাদের যেকোনও প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য প্রস্তুত বলে দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বোমাং সার্কেল চিফ উ চ প্রু চৌধুরী দেশের সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন,সেনাবাহিনীর অকৃত্রিম পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় পার্বত্য অঞ্চল আজ সমৃদ্ধশীল।পার্বত্য অঞ্চলের নাগরিক হিসেবে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব।দেশের প্রশাসন এবং সরকারের প্রতি আস্থা রেখে অতীতের ন্যায় সকল প্রকার সহযোগিতা আগামীতেও বোমাং সার্কেল দিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে প্রতিটি উপজেলা থেকে একজন করে হেডম্যান বক্তব্য প্রদান করেন।তারা সকলেই এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানান পাশাপাশি হেডম্যানদের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে সকল প্রকার সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ এবং মধ্যাহ্ন ভোজের মধ্য দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।