

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর নির্দেশনা হিসেবে বান্দরবান সহ তিন পার্বত্য জেলার জনসাধারণের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের একটি নির্দেশনা পরিপত্র তিন পার্বত্য জেলা থেকে ২রা ডিসেম্বর শান্তি চুক্তির ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠান উদযাপনের নামে চাঁদা আদায় করার নিদের্শনা প্রদান করে পরিপত্র প্রেরণ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা।
নির্দেশনাটি তে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা বলেন, ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আমরা দিবসটি কে জাকজমক ভাবে উৎযাপন করতে যাচ্ছি। সেই লক্ষে আমাদের প্রচুর অর্থ প্রয়োজন হবে,তাই আমরা আমাদের সকল চিফ কালেক্টদের জানিয়ে দিয়েছি যে আপনারা আপনাদের নিজ নিজ এলাকার সকল জনসাধারণ, ব্যবসায়ী, চাকরীজীবি, ঠিকাদারী প্রতিষ্টান,পরিবহণ মালিক সমিতি,হোটেল মোটেল মালিক সমিতি,পর্যটকসহ সকলের কাছ থেকে অনুদান/চাঁদা সংগ্রহ করবেন। যদি কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকারকরে বা অসম্মতি জানালে প্রয়োজন অনুযায়ী শক্তি প্রয়োগ করে চাঁদা আদায়ের নির্দেশানা দিয়েছি।
( ছবি-বান্দরবান,রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য জেএসএস এর বার্তা প্রেরণ যা গতবছরের একটি কপি)
এদিকে নির্দেশনা আসার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। বান্দরবানের একজন হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, এমনিতে করোনার কারণে আমাদের জন জীবন বিপযস্ত অন্যদিকে জেএসএস আসছে চাঁদা নিতে। তাদের বললাম এবার ব্যবসা বাণিজ্য হয়নি কিভাবে চাঁদা দিবো। জবাবে তারা বলেন চাঁদা দিতে না পারলে হোটেল বন্ধ করে দিয়ে দেন। এমন অবস্থায় কিছু বুঝে উঠতে পারছিনা।
রাঙ্গামাটির এক ঠিকাদার দেবব্রত ত্রিপুরা বলেন, অনেক দিন কোন কাজ নেই । পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলাম । গতকয়েক দিন আগে জেএস এস এর সদস্য ২জন এসে চাঁদা দাবি করে না দিতে চাইলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এমন টা তাদের কাছে আশা করি নাই । তারাতো আমাদের জাতি ভাই। তারপরও কেন এমন নিষ্টুরতা তাদের মাঝে।
তাদের এমন নির্দেশনার কারণে পার্বত্য জনপদে শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে বলে দাবী স্থানীয়দের।