

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতা চথোয়াই মং মারমা হত্যার ঘটনায় জনসংহতি সমিতির ১৩ নেতা-কর্মীকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।নিহত নেতার স্ত্রী মে সা চিং বাদী হয়ে রোববার সদর থানায় মামলাটি করেন।আসামিরা হলেন জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, জনসংহতি সমিতির জেলা শাখার সভাপতি উছোমং মারমা,সাধারণ সম্পাদক ক্য বা মং মারমা, সদর উপজেলার সভাপতি উছোসিং মারমা,হেডম্যান হাইনু মং মারমা,থানচি উপজেলার পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান চ সা থোয়াই মারমা,রোয়াংছড়ির নেতা অংশৈ মং মারমা,রুমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অংথোয়াই চিং মারমা,সদর উপজেলার নেতা বাসি মং মারমা,রাজবিলার নেতা খ্যপাই মারমা, হেব্রন পাড়ার রাম থন সাং বম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতা নিত্য লাল চাকমা ও সুজয় চাকমা।আরো অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে মামলায়।শনিবার আটক জেএসএস’র কেন্দ্রীয় নেতা কে এস মং মার্মাসহ অন্যদের এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। হঠাৎ করে সংগঠনের এত নেতাকর্মীর নামে মামলা হওয়ায় অনেকে এখন পলাতক রয়েছেন।সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন,হয়রানির উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গণহারে মামলা করছে।তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি।এদিকে হরতাল শেষে মুক্ত মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সেখানে আওয়ামী লীগ নেতা চ থোয়াই মং মার্মার হত্যার ঘটনায় জনসংহতি সমিতি কে দায়ী করে সন্তু লারমার কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে নেতাকর্মীরা।সভা থেকে কাল সোমবার জেলার ৭ উপজেলায় শোক সভা পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। অন্যদিকে বাঙালি ছাত্র পরিষদ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে।গতকাল রোববার (২৫ মে) দুপুরে কুহালং ইউনিয়নের শিলক খালের আগার ঝিড়ি এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা চথোয়াই মং মারমার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।ঘটনার ৩ দিন আগে বুধবার একদল সন্ত্রাসী ওই নেতাকে উজি মুখ পাড়ার খামার বাড়ি থেকে অপহরণ করে।