

স্পোর্টস ডেস্কঃ-প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরেছেন।তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রথম তিন বছর খেলতে পারেননি ঘরোয়া ক্রিকেটে।জাতীয় লিগ দিয়ে শুরু করে গত মৌসুমে খেলেছেন প্রিমিয়ার লিগ।শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার অনুমতি মিলছিল না মোহাম্মদ আশরাফুলের।অবশেষে মিলল সেটিও।ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লংগার ভার্সন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেলার অনুমতি পেয়েছেন তিনি।নিষেধাজ্ঞা আংশিক উঠেছিল।যে কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি মিললেও বিসিএল ও বিপিএল খেলা হয়নি।বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আশরাফুলের সামনে সুযোগ মিলবে বিপিএলেও।চ্যানেল আই অনলাইনকে জানালেন সেটার উচ্ছ্বাসের কথাই।‘জাতীয় লিগ খেলেছি,প্রিমিয়ার লিগও খেলেছি; বিসিএল খেলতে পারায় এখন ধারাবাহিকতা থাকবে।আর জাতীয় দলে আবারও ফিরতে হলে আমাকে সব জায়গায়ই খেলতে হবে।আসলে বিরতি পড়ে গেলে কাজগুলো ঠিকভাবে হয় না।খুব ভাল লাগছে।এরপর আবার প্রিমিয়ার লিগও আছে। স্বপ্ন আছে ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে আবারও বাংলাদেশ দলে ফেরার।’
বিসিএল শুরু হবে ৯ জানুয়ারি।এবার ইস্ট জোনের হয়ে খেলবেন আশরাফুল।রোববার সকালে বিকেএসপিতে যোগ দেবেন দলীয় অনুশীলনে। প্রথম রাউন্ডে ইস্ট জোনের প্রতিপক্ষ প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন।২০১২ সালে বিসিএল শুরুর আসরে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে খেলেছিলেন আশরাফুল।ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন করেন দলকে।তারপর আর খেলা হয়নি বিসিএলে।চার মৌসুম পর আবারও এই প্রতিযোগিতায় দেখা যাবে তাকে।আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আশরাফুলের উপর আরোপিত ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আসছে ১৩ আগস্ট।ফলে নভেম্বরে শুরু হওয়া বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে খেলা নিশ্চিতই।সেজন্য অবশ্য বিসিএল ও প্রিমিয়ার লিগে প্রমাণ করতে হবে ব্যাট হাতে নিজের গ্রহণযোগ্যতা।এর আগে ২০১৩ সালে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ম্যাচ পাতানোয় জড়িয়ে আট বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পান আশরাফুল।এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন।তাতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমে দাঁড়ায় পাঁচ বছরে।এরমধ্যে দুই বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা হওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা থাকে তিন বছর।সেটা কাটছে।২০১৮ সালের ১৩ আগস্টের পর সব ধরনের ক্রিকেট খেলতে পারবেন আশরাফুল।