

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে রাঙামাটির লংগদুতে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়িদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি রান্না করা ও শুকনো খাবার বিতরণ করছে নিরাপত্তা বাহিনী।খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানের নির্দেশনায় লংগদু জোন শনিবার সকাল থেকে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।আর পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন,লংগদু জোনের সেনা অধিনায়ক লে.কর্নেল মো.আবদুল আলিম চৌধুরী ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ষ্টাফ অফিসার মেজর মুজাহিদুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর এমন উদ্যোগে ভয়ে পালিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নেওয়া পাহাড়িরাও ফিরতে শুরু করেছে।যারা বসতবাড়ী হারিয়েছে তারা বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে।
খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ষ্টাফ অফিসার মেজর মুজাহিদুল ইসলাম জানান,ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়িদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি খাবারের পয়েন্ট খোলা হয়েছে।সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রান্না করা ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।পুরো লংগদু উপজেলা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি জেলা সদরের চার মাইল যৌথ খামার এলাকায় ভাড়ায় চালিত মোটরবাইক চালক লংগদু সদর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের লাশ উদ্বার হয়।তার জেরে শুক্রবার দুপুরে লংগদুতে নয়নের লাশ পৌছলে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয়রা।এসময় মিছিল থেকে উত্তেজিত জনতা রাস্তার পাশের জেএসএসের কার্যালয় ভাংচুর ও তিনটিলা নামক স্থানে পাহাড়িদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও গুলি ছোঁড়ে।এ সময় হামলাকারীদের ইটের আঘাতে চার পুলিশ আহত হন।রাঙামাটি পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান জানান,ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো প্রায় তিন শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।ইতিমধ্যে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শুক্রবার দুপুরে জারি করা ১৪৪ ধারা শনিবার দুপুরে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।