

বান্দরবান অফিসঃ-গভীর রাতে টর্চের জ্বেলে মেয়েদের ধর্ষণ করতেন আসারাম।এর আগে নিজেকে ধর্ষণের জন্য প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি নামে এক ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করতেন।যে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে আসারামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে,মামলায় তার যৌন বিকারের এমন বর্ণনা রয়েছে।মামলার প্রধান সাক্ষী এক সময়ের আসারামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাহুল কে সাচার এ বর্ণনা দেন।এতে তিনি জানান, গভীর রাতে জানালায় টর্চের আলো পড়লেই তিন নারী সহযোগী আসারামের কক্ষে মেয়ে পাঠাতেন।আসারাম একসময় তাদের ধর্ষণ করেন।পরে তাদের কাজ হয়ে দাঁড়ায় আশ্রমের মেয়েদের গভীর রাতে আসারামের কক্ষে পৌঁছে দেয়া।মামলার নথি অনুযায়ী, আসারামের কক্ষে ব্রহ্মজ্ঞান দেয়ার কথা বলে মেয়েদের নেয়া হতো।কিন্তু সেখানে কথিত ধর্মগুরু তাদের ধর্ষণ করতেন।আর ধর্ষণ শুরুর আগে নিজেকে শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি সেবন করতেন আসারাম।রাহুল কে সাচারের সাক্ষ্য অনুযায়ী,এক রাতে আসারামের কক্ষে এক মেয়েকে পাঠালে তার সন্দেহ হয়।তখন তিনি ওই কক্ষের দেয়ালে ওঠে দেখেন আসারাম মেয়েটিকে ধর্ষণ করছে।পরে আশ্রমে কেন এমন কাজ করা হচ্ছে, জানতে চেয়ে আসারামকে চিঠি লেখেন রাহুল।কিন্তু বাপু এর কোনো জবাব না দিয়ে ধর্ষণ অব্যাহত রাখেন।পরে আবার চিঠি লেখেন রাহুল। তখন তাকে আশ্রম থেকে বের করে দিতে নিরাপত্তা রক্ষীদের নির্দেশ দেন আসারাম।আর রাহুলের সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করেই বুধবার রাজস্থানের জোধপুর বিশেষ আদালত আসারাম বাপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।