

বান্দরবানে একটি দোকান চুরির মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরীসহ ৩ জনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।বুধবার দুপুরে বান্দরবান সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (আমলী) আদালত-৩ তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আদালতের সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মার্কেটের দোকানদার সামশুল আলমের দোকানের তালা ভেঙ্গে জিনিসপত্র চুরি, ভাংচুর, এবং দোকানটি অবৈধভাবে দখল করে আত্মীয়কে হস্তান্তর করেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরীসহ কয়েকজন। এ ঘটনায় দোকানদার বাদী হয়ে গতমাসে ২৯ তারিখ বান্দরবান চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে চুরি, ভাংচুর এবং অবৈধভাবে দোকান দখলের একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় বুধবার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তসলিম ইকবাল চৌধুরীসহ ৩ জন বান্দরবানের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাসানের আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবির মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে জামিন না মঞ্জুর করে আসামীদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আসামীরা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তসলিম ইকবাল চৌধুরী, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সৈয়দ আলম এবং চেয়ারম্যানের আত্মীয় ইউনুচ খান।মামলার বাদী বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মার্কেটে আমার একটি দোকান রয়েছে। আগামী ২০ সাল পর্যন্ত দোকানের ভাড়ার মেয়াদ রয়েছে। দোকান ভাড়াও পরিশোধ রয়েছে। কিন্তু আমি বিএনপি করার অপরাধে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তসলিম ইকবাল চৌধুরী জোরপূর্বক আমার দোকানের তালা ভেঙ্গে জিনিসপত্র চুরি ও ভাংচুর করে। পরে দোকানটি তার ভাইয়ের শশুরকে হস্তান্তর করায় আমি আদালতে মামলা করি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবি উবা থোয়াই মারমা জানান, নাইক্ষ্যংছড়িতে দোকান চুরির মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরীসহ ৩ জনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত।