

প্রায় প্রতিবছরই রমজান মাসকে কেন্দ্র করে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। আর এতে করে রমজান মাসে শুধু রোজাদাররাই নয় এর কারণে নাজেহালে পড়তে হয় দেশের প্রতিটি নাগরিকের। সিয়াম সাধনার এই মাসে শুধুমাত্র বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি হয়। তবে গত কয়েক বছর ধরে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও তা জনগণের হাতের নাগালেই থাকছে। এতে করে জনগণের অতিরিক্ত কষ্ট পোহাতে হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে পারছে না। আর এতে করে জনমনে নেমে এসেছে স্বস্তি।
আর এর ধারাবাহিকতায় রমজানের এক মাস আগেই ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনায় বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন দেশে তেল, চিনি আমদানিকারকরা। যাদের হাতে তেল, চিনিসহ অন্যান্য আমদানি দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, “সামনে রোজা। এই সময় তেল, ছোলা, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন থাকে, সে বিষয়টি ও আপনাদের দেখতে হবে।”
ভিডিও কনফারেন্সে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের অনুরোধ করব যাতে আসন্ন রমজানে চিনি, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট না হয়। আপনাদের সবার প্রতি এটা আমার অনুরোধ।
মোস্তফা কামাল মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি সোনারগাঁয়ের মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনের কর্ণধার, মুন্সিগঞ্জে আবদুল মোনেম ইকোনমিক জোনের কর্ণধারের সঙ্গে মতবিনিময়কালেও প্রধানমন্ত্রী একই অনুরোধ জানান।
এদিকে রমজানকে কেন্দ্র করে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দিকে আলাদা নজরদারির কারণে সহসাই দাম বাড়াতে পাড়ছে না ব্যবসায়ীরা। আর এতে করেই ধীরে ধীরে জনমনে স্বস্তি নেমে এসেছে। আর এসব সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে।