

বান্দরবান অফিসঃ-নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হয়তো তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাই ছোট বড় দলগুলোর মধ্যে দৌড়ঝাপ চলছে। অনেকেই করছেন জোট। কেউ আবার একজোট থেকে বেরিয়ে অন্য জোটে। এভাবেই চলছে নির্বাচনী হিসাব নিকাশ। এরকমই একটি নির্বাচনী জোট হলো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। মুখে জাতীয় ঐকফ্রন্টের নেতারা যতই বলুক এটা তাদের নির্বাচনী জোট নয়, কিন্তু ভিতরে ভিতরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা নির্বাচনী হিসাব কষছেন।
ইতিমধ্যেই সরকার বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের একটি প্রভাবশালী মহল নির্বাচনে যাবে বা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। নির্বাচনে যাওয়ার জন্য তাদের যুক্তি হলো, অতীতে নির্বাচনে না গিয়ে বিএনপির মত একটি দল বড় ভুল করেছিলো এবং আগামীতেও নির্বাচনে না গেলে একই ভুল হবে বলে তারা মনে করেন। তখন নির্বাচনে গেলে অন্তত তারা বিরোধী দলে থাকতে পারতো। তারা আরও বলছে নির্বাচনে না গেলে দল চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং দলকে টিকিয়ে রাখা যাবে না। তাই তারা প্রয়োজনে দলের নেত্রীকে কারাবন্দী রেখে হলেও নির্বাচনে যাবে। তারা আরও বলার চেষ্টা করছে আগামী নির্বাচন যেমনই হোক না কেন, তাদের দল ৭০ থেকে ১০০টি আসন পাবে। এমনকি এজন্য যদি সরকারের সাথে কোনো সমঝোতায় যেতে হয় সেটাও তারা যাবে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর অপর একটি অংশ বলছে, সরকার তাদের ঘোষিত সাত দফা দাবি মেনে না নিলে তারা কোনোভাবেই নির্বাচনে যাবেনা। নির্বাচনে যাওয়া নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এখন দুই ভাগে বিভক্ত। একভাগ সবকিছু ছাড় দিয়ে যে কোনো মূল্যে নির্বাচনে যেতে চায়। সাত দফা নিয়ে এই অংশের তেমন একটা মাথাব্যথা নেই। নির্বাচনে যাওয়াই আপাতত তাদের লক্ষ্য। অপর অংশ কোনোভাবেই সরকারকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ। এসব দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে তথাকথিত এই জোট কতদিন টিকবে সেটাই দেখার বিষয়।