

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-চট্টগ্রাম নগরীতে যে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল,সেখানে ‘দেশিয় পদ্ধতিতে ভেজাল ইয়াবা’ তৈরী হচ্ছিল বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো.মহসীন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পুরো কারখানাটি ভেজাল ইয়াবা তৈরী করে আসছিল,দেশিয় পদ্ধতিতে।সেখান থেকে আড়াই লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।এ ছাড়া ১০৫ কেজি ইয়াবা তৈরীর কাঁচামাল পাওয়া যায়,যা দিয়ে ১০ লক্ষ পিচ ইয়াবা তৈরি সম্ভব।এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।উল্লেখ্য,চট্টগ্রাম মহানগরীতে মঙ্গলবার রাতে ইয়াবা তৈরীর একটি কারখানার সন্ধ্যান পেয়েছে পুলিশ।নগরীর ডবলমুরিং থানার বেপারিপাড়ায় ওই ইয়াবা তৈরির কারখানার অভিযান চালিয়েছে আড়াই লাখ ইয়াবা এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা তৈরীর সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ জনকে।মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেপারীপাড়া কমিশনার গলির আবুল হোসেন সওদাগরের ৫ম তলা বিল্ডিংয়ের ৩য় তলার মধ্যম ফ্ল্যাটে এই অভিযান চালানো হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন-শ্যামল মজুমদার (৩৭),আব্দুল্লাহ আল আমান প্রকাশ আমান (৩৪),মোঃমামুন হোসেন প্রকাশ মামুন (৩২), আয়শা সিদ্দিকা (২৭)।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম গোপন খবরের ভিক্তিতে এ ইয়াবা কারখানায় অভিযান চালিয়েছে।এসময় প্রায় ১০০ কেজি ইয়াবা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।এর মধ্যে রয়েছে-২,৫০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট,তিনটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় পলিথিনে মোড়ানো লাল গোলাপী রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর কাঁচামাল (এ্যামফিটামিনযুক্ত পাউডার),তিনটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় পলিথিনে মোড়ানো সাদা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর পাউডার,ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর লোহার মেশিন ০২টি,ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর ষ্টিলের ডাইস ৪টি,একটির উপর ইংরেজীতে ‘জ’ এবং একটির উপর ইংরেজীতে “WY” খোদাই করে লেখা আছে,লোহার তৈরী প্রেশার মেশিন ২টি,ডিজিটাল স্কেল ০১টি,১টি সাদা জারে ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর কাজে ব্যবহৃত ৪ লিটার তরল গোলাপী রং।নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এ এ এম হুমায়ুন কবির বলেন,কারখানাটিতে আমরা ১০৫ কেজি ইয়াবা তৈরীর কাঁচামাল পেয়েছি,সেগুলো দিয়ে প্রায় ১০ লাখ ইয়াবা তৈরি করা করা সম্ভব।কারখানাটিতে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা তৈরি করে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছিল।