

জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এন.এ.পি) প্রনয়ণের লক্ষ্যে বান্দরবান জেলায় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জলবায়ু পরিবর্তন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও এন.এ.পি প্রনয়ণ প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মো.মিজানুল হক চৌধুরী।বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির সভাপতিত্বে আয়োজিত পরামর্শ সভায় জুমের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সহ সরকারি-বেসরকারি এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ৬০জন প্রতিনিধি এই পরামর্শ সভায় অংশগ্রহণ করেন।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের জাতিসংঘ অনুবিভাগ প্রধান ও যুগ্ম সচিব অমল কৃষ্ণ মন্ডল।এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো.লুৎফুর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.শেখ ছাদেকসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউএনডিপি এর মাধ্যমে সি.জি.এফ হতে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ট্রাস্ট সি.ই.জি.আই.এস কনসোর্টিয়াম এন.এ.পি প্রনয়ণের কাজ করছে এবং আগামী ১৫ মার্চ’২০২২ এর মধ্যে এন.এ.পি প্রণয়নের চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে বলে জানানো হয়।জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি তে দেশগুলোর অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অর্থায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ বরাবরই অগ্রনী ভূমিকা পালন করে এবং বান্দরবান জেলা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি তে থাকা জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম জেলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।প্রসঙ্গত,ঝুকিপূর্ণ দেশসমূহের দাবীর মুখে এন.এ.পি প্রনয়ণে জি.সি.এফ এ দেশসমূহ কে অর্থায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।যেকারনে এন.এ.পি প্রণয়নে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে দায়বদ্ধ।সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থাকায় জাতীয়ভাবেও এন.এ.পি প্রণয়নের গুরুত্ব অপরিসীম বলে জানিয়েছে এন.এ.পি প্রনয়ণ বাস্তবায়ন কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা গবেষক মহল।